সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির বৌদ্ধ মেডিটেশন সেন্টার নির্মানে পুণ্য-আবেদন।
সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির বৌদ্ধ মেডিটেশন সেন্টার, চট্টগ্রাম মহানগর, এর নির্মানে আপনিও ভূমিদাতা হিসাবে অবদান রাখুন এবং মহাপুণ্য অর্জন করুন।
শাসন সর্দ্ধমের হিতকামী কল্যানমিত্র দায়ক-দায়িকাবৃন্দ! আপনাদের সকলকে জানাচ্ছি একটি বিনয়সম্মত বিমুক্তিমার্গের পরিশুদ্ধ ভাবে বুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষাকে কেন্দ্র করে একটি সাঙ্ঘিক পুণ্যপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার মহৎ শ্রেষ্ঠ পুণ্য সংবাদ।
আমাদের সকলের প্রাণের শহর চট্টগ্রাম মহানগরে তথাগত জগতজ্যোতি বুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষাকে মানুষের অন্তরে জাগ্রত করার লক্ষে একটি মহৎ চিন্তা চেতনাকে ধারন করে একটি মহামঙ্গলিক পুন্যকর্ম করার মানসে পুণ্যপুরুষ, বিশুদ্ধ শীলে পরিশুদ্ধ সংঘমনিষা পরম পূজ্য সংঘনায়ক শ্রদ্ধেয় শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির ভান্তের অমর স্মৃতিকে চিরো জাগ্রত রাখার প্রত্যয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে একটি বিনয় সম্মত তথাগত বুদ্ধের নির্দেশিত নিমানুসারে “সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মেডিটেশন সেন্টার ও বৌদ্ধ বিহার কমপ্লেক্স” নির্মান করার পুণ্য উদ্যোগ গ্রহন করেছি। একঝাঁক তরুন প্রজম্মের আলোকবর্তীকা যুবসম্প্রদায়কে নিয়ে প্রবীন অভিজ্ঞ দায়ক-দায়িকাদের সমন্বয়ে “সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মেডিটেশন সেন্টার ও বৌদ্ধ বিহার কমপ্লেক্স” নির্মান করার মহাপুণ্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মেডিটেশন সেন্টার ও বিহার নির্মান এর পুণ্য কত মহৎ এই বিষয়ে ভগবান বুদ্ধ মহাশ্রেষ্ঠী অনাথপিন্ডিক ও মহাউপাসিকা বিশাখাকে কেন্দ্র করে জেতবন বিহারে বিহার দানে’র মহাফল বর্ণনা করতে গিয়ে বুদ্ধসেবক আনন্দ স্থবিরকে উপলক্ষ করে বুদ্ধ বলেছেন ওহে আনন্দ যে সমস্ত পুণ্যার্থীবৃন্দ বিহার দান করেন, বিহার দানে সহযোগি হন, বিহার দান করতে উৎসাহ প্রদান করেন এবং বিহার দানে অবদান রাখেন তারা মহাপুণ্যের ভাগি হন, দিবারাত্রি কুশল অর্জন করেন, দাতাগন বিহার দানের ফলে দেব-মনুষ্য জীবন লাভ করেন। শ্রেষ্ঠ দেব বিমান লাভ করতে সক্ষম হন। অট্টালিকায় মহাপ্রসাদ লাভ করেন এবং দেব ভোজ্য, খাদ্য লাভ করে থাকেন।
আনন্দ বিহার দানের পুণ্যফলে বিভিন্ন হিংস্র প্রাণীর আক্রমন থেকে রক্ষা হন। বিপদ, অন্তরায় থেকে মুক্তিপান। দুঃখ স্বপ্ন দেখেন না, সুখে নিদ্রা যাপন করেন। অন্ন, কাপড়, বাসস্থান, চিকিৎসা, ও শিক্ষা লাভ করেন। অভাব অনটন থেকে রক্ষাপান, আয় রোজগার বৃদ্ধি পায়। চতুরার্য্য সত্য দর্শন করতে পারেন। লোভ-মোহ ক্ষয় করে নির্বাণ লাভ না করা পযর্ন্ত দেব ও ব্রম্মলোকে গমন করেন এবং সকল অরিক্ষয় করে নির্বান দর্শন করতে পারেন।
আনন্দ বিহার দান দানগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মহাফল-দায়ক দান সুতরাং এই দানের মাধ্যমে শাসন স্বধর্মের কল্যান সাধন করে ইহ ও পর লোকে এবং ৩১ লোকভূমিতে উচ্চস্থান লাভ করতে সক্ষম হয়, নির্বাণ যাওয়ার আগ প্রর্যন্ত জম্মান্তরে সুবর্ণদেহ ও রুপবান হয়ে জম্মগ্রহন করেন।
আমরা ত্রিপিটকের সুত্র পিটক অধ্যায়ন করলে দেখতে পাই বুদ্ধকালীন সময়ে অনাথপিন্ডিক শ্রেষ্ঠী, মহাউপাসিকা বিশাখা, জেতকুমার সহ অসংখ্য ব্যক্তিগন বিহার নির্মান করে আড়াই হাজার বছর পরও মানব মন্দিরে পূজিত হচ্ছেন, স্মৃতির পাতায় অমর হয়ে রয়েছেন।
বর্তমানে বৌদ্ধপ্রতিরুপ দেশ ও আমাদের দেশেও দাতাগন বিহার দান করে নিজে এবং পরিবারকে অমর করে রেখেছেন।
সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মেডিটেশন সেন্টার ও বৌদ্ধ বিহার কমপ্লেক্স নির্মান করার জন্য তিনটি স্থানে ভূমি ক্রয় উপলক্ষে আড়াই গন্ডা দুইটি ভূমি ও তিন গন্ডা একটি ভূমি বৌদ্ধ মালিকের সাথে আলোচনা করা হচ্ছে। উভয় জমির মূল্য নিধারন করা হয়েছে বিহারের নামে রেজিষ্টার ও নামজারিসহ ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। তিনগন্ডা একটি জমিতে বর্তমানে সেমিপাকা ঘরও রয়েছে।
উক্ত মেডিটেশন সেন্টার নির্মান করতে ১৪০ জন ভূমিদাতা ১লক্ষ টাকা করে ভূমিদানে এগিয়ে আসলে অথবা ২৮০ জন ভূমিদাতা ৫০হাজার টাকা দান করে ভূমিদাতা হলে উক্ত মহাফলদায়ক পুণ্যপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা অসম্ভব কিছু নয়। ৩গন্ডা জমি সমান ২,৫ ৯২ বর্গফুট, প্রতি বর্গফুট ভূমির দাম পরবে প্রায় ৬ হাজার টাকা মাত্র
রেজিস্ট্রারসহ সুতরাং এহেন মঙ্গলপদ শ্রেষ্ট ফলদায়ক পুণ্যকর্মে সবাই এগিয়ে এসে বুদ্ধ ধর্ম প্রচার ও প্রসারে এবং ইহজম্ম ও জম্মজম্মে, জম্মজম্মান্তরে উপরে উল্লেখ্য মহাফল লাভের প্রত্যাশায় সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মেডেটেশন সেন্টার ও বৌদ্ধ বিহার কমপ্লেক্স এর ভূমি দাতা হয়ে নিজের জীবনকে পুণ্যকর্মে ধন্য করুন।
বিনিত নিবেদনে-
স্থবির এম. ধর্মবোধি ভান্তে
উদ্যোক্তা- সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মেডিটেশন সেন্টার ও বৌদ্ধ বিহার।
ফোন নাম্বার- ০১৭৪৯ ৫৫০৫০৪, ০১৮২৭২৯৩৫৭০