1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| দুপুর ১:০১
শিরোনামঃ
সপ্ত অপরিহানীয় ধর্ম: সংঘবদ্ধ জাতি ও আদর্শ সমাজ গঠনের বৌদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি সম্মান আয়নার মতো—আপনি যেমন দেবেন, তেমনই ফিরে পাবেন নিজের মন-চিত্তকে জানা: বুদ্ধদর্শনের আলোকে আত্ম-পর্যবেক্ষণ ও সত্য উপলব্ধি কর্মফল, কর্মনিয়তি এবং তথাগত বুদ্ধের জীবনদর্শন: ধর্মের পরিহানির মূল কারণ: না জেনে, না বুঝে পণ্ডিত হওয়ার প্রবণতা প্রাণী হত্যা ও তার চার প্রকার পাপ: বৌদ্ধধর্মের আলোকে  আলোচনাটি করলাম মা-বাবা: জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ — বৌদ্ধধর্মের আলোকে এই আলোচনা পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতিই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারে! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভদন্ত মহাস্থবির ড. এস. লোকজিৎ ভিক্ষু পাপগ্রস্ত মানুষের দুঃখ ও মৃত্যুমুখে পতন:

সন্তানের সাথে বাবা-মায়ের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ

জ্ঞান অন্বেষণ নিউজ
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪,
  • 719 বার দেখা হয়েছে

সন্তানের সাথে বাবা-মায়ের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ



লিখছেন- স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে

(প্রকাশক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
সম্পাদক- জ্ঞান অন্বেষণ অনলাইন নিউজ পেপার, 

লিখছেন- স্থবির এম. ধর্মবোধি ভিক্ষু

(প্রকাশক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
সম্পাদক- জ্ঞান অন্বেষণ অনলাইন নিউজ পেপার, 


কর্মফল খুবই ভয়ংকর হয়, সন্তানের জন্য মা বাবা কিছু করেছে নাকি কিছু করে নি সেইটি ভাববার আগে যদি একটুখানি ভাবি আমাকে দশমাস দশদিন গর্ভধারন করেছে মা, ২-৩ কেজি চাউল বাজার করে ১০ মিনিট হেটে ঘরে আসা আমাদের কাছে কষ্টকর মনে হয়। আর মা ১০ মাস ১০দিন (দিবা+রাত্রি) একজন সন্তানকে গর্ভধারণ করে কি যুদ্ধরথ কষ্ট করেছেন একটু করেই ভাবলে হয়। এরপর সন্তানকে মানুষ করতে বিশ্বযুদ্ধ করার মত কষ্ট করতে হয়। পৃথিবীতে শুধু মাত্র এক জন বাবাই জানেন সন্তানকে মানুষ করার জন্য, বড় করার জন্য কত অমানুষিক ত্যাগস্বীকার করতে হয়।

দিবারাত্রি নিজের দেহের রক্তকে ঘামের মত পানি করে সন্তানের রক্তবর্ধন করে, সন্তানের দেহে পুষ্টিসাধন করে। বাবা নিজের জীবনটাকে করে নেন কঠিন, অগ্নিধারল্য যুদ্ধে। একটাই আশা-বড় হবে সন্তান, মানুষ হবে সন্তান, দুঃখ দূর করবে সন্তান আর যখন সন্তান বড় হয় তখন বেশিভাগ সন্তান হন মা ও বাবা’র চিন্তনের একদম বিপরীত। অবশ্য এর একমাত্র কারন বিনয় শিক্ষা ও সু-শিক্ষার অভাব।

এর থেকে পরিত্রাণের এক মাত্র পথ হচ্ছে প্রথমে মাতা পিতাকে বিনয় শিক্ষা অর্জন করতে হবে, সুন্দর ব্যবহারের অধিকারী হতে হবে, সন্তানকে সু-বিনয়, সু-শিক্ষা দেওয়ার জন্য কর্মপন্থা বা কর্মকৌশল অর্জন করতে হবে। পরিবার বা পারিবারিক পরিস্থিতি সুন্দর রাখতে হবে, সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিহারে ধর্মীয় পাঠদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিবারের সুখ- শান্তি রক্ষায় আলোচনার কোনো বিকল্প নেই। তাই শিশুকে শিশু না ভেবে একজন পরিপূর্ণ মানুষ গণ্য করে আলোচনায় তাকেও অংশ করে নিন। তাকে বলার সুযোগ দিন এবং শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। এর মধ্য দিয়ে আপনার সন্তনটিও বুঝবে যে সে পরিবারের একজন সদস্য এবং ওর মতামতেরও মূল্য আছে। এতে শিশুর দায়িত্ববোধ এবং অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধাও বাড়বে।

সৎগুরু ও বিনয়শীল গুরু সানিধ্যও গুরুত্ববহন করে, বর্তমানে ভিক্ষুদের মধ্যে শীল, সমাধী ও প্রজ্ঞা মানে হচ্ছে নাম,যশ ও খ্যাতি, বুদ্ধের মূল নিতি ধর্ম থেকে অনেকাংশে ভিক্ষুরা যোজন যোজন দূরে অবস্থান করছে, ভিক্ষুরা এখন ধর্ম বিনয় অনুশীলন থেকে অর্থ আয় করা, পদ-পদবী, ক্ষমতা ও গ্রুপ ভির্ত্তিক সংঘদান, অষ্টপরিস্কারদান ও নিয়মতান্ত্রীক ক্ষমতার বলয় তৈরি করে সুশীল বিনয়ধারী, আচরণ করা ভিক্ষুদের যেমন ধ্বংশ করছে অন্যদিকে সমাজকে বিভাজন করে দিচ্ছে।

কোন ভিক্ষু শীল, বিনয় আচরণ করতে চাইলেও নোংরা ক্ষমতাধর, কুচিত প্রতিহিংসাকারি পেত দেবদত্ত্ব ভিক্ষুরা বিনয়শীলদের ধ্বংশ করছে।

তথাগত বুদ্ধ বলেন বিনয় শাসনের আয়ু অদ্যবধি বিনয়শীল ভিক্ষু সংঘের অসীম ত্যাগ, শীল ও প্রজ্ঞা পারমী মহাগুণে বুদ্ধের ধর্ম এখনও শান্তির বানী ছরাচ্ছে।

অন্যদিকে সমাজ জাতীর বিবর্তনে দায়ক-দায়িকা সংঘ অনবদ্য অবদান রাখলেও বৃহৎ একটি সমাজ জাতি ধর্মকে কুলশিত করেছে, তথাগত বুদ্ধ দান, শীল ও ভাবনা দায়ক-দায়িকাদের মূল স্তম্ভ বল্লেও তারা এখন বাড়ি, গাড়ি ও ক্ষমতার লোভে জাতীকে ভিক্ত করে দিচ্ছে। ধর্মের নামে নিজের স্বার্থকে গুরুত্বদিয়ে সমগ্র জাতীসত্তাকে অন্ধকারে রেখেছে।

সঠিক গুরু নির্বাচন ও শীলবান ভিক্ষু সংঘকে রক্ষা না করলে, বিনয় শিক্ষা গ্রহন না করলে, নৈতিক জ্ঞান আহরণ না করলে সন্তানের মেধাবিকাশ করা কখনো সম্ভব নয়।

এই জন্য সর্বাগ্রে শীলহীনদের ত্যাগ করে বিনয়শীল গুরু নির্বাচন করে সন্তানদের ধর্ম শিক্ষা দিয়ে তাদের বিনয়ী করে তুলতে হবে।

সমাজে আড্ডাবাজ, মদখোর, তাসখোর, খারাপ মানুষ, মিথ্যাবাদি, প্রতারক, চোর এক কথায় মনুষ্যত্ব জ্ঞানহীন মানব থেকে সন্তানকে আলাদা করতে হবে। মানবিক গুণাবলীসম্পন্ন করে তুলতে হবে সন্তানকে, প্রজ্ঞা-জ্ঞান বা সম্যক জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তির সঙ্গ দিতে হবে, তবেই সন্তান উপযুক্ত জ্ঞান-সম্ভার অর্জনের মধ্যেদিয়ে সু-শিক্ষায় মা ও বাবাকে শ্রদ্ধা করবে, সম্মান করবে, গ্রাম তথা সমাজের মানুষকে যথার্থ গুরুত্বসম্পন্ন আত্নমর্যদায় প্রতিষ্ঠিত করবে। জাতি ধর্মের কল্যান সাধন করবে। সবার জীবন সুন্দর হোক, সবাই আলোকিত জীবন ধারন করুক, জগতের সকল প্রাণি সুখি হোক, বিশ্ব করোনা মুক্তি হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (দুপুর ১:০১)
  • ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।