1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ১:৩০
শিরোনামঃ
সপ্ত অপরিহানীয় ধর্ম: সংঘবদ্ধ জাতি ও আদর্শ সমাজ গঠনের বৌদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি সম্মান আয়নার মতো—আপনি যেমন দেবেন, তেমনই ফিরে পাবেন নিজের মন-চিত্তকে জানা: বুদ্ধদর্শনের আলোকে আত্ম-পর্যবেক্ষণ ও সত্য উপলব্ধি কর্মফল, কর্মনিয়তি এবং তথাগত বুদ্ধের জীবনদর্শন: ধর্মের পরিহানির মূল কারণ: না জেনে, না বুঝে পণ্ডিত হওয়ার প্রবণতা প্রাণী হত্যা ও তার চার প্রকার পাপ: বৌদ্ধধর্মের আলোকে  আলোচনাটি করলাম মা-বাবা: জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ — বৌদ্ধধর্মের আলোকে এই আলোচনা পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতিই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারে! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভদন্ত মহাস্থবির ড. এস. লোকজিৎ ভিক্ষু পাপগ্রস্ত মানুষের দুঃখ ও মৃত্যুমুখে পতন:

বিহার দানের মহাফল হয় এবং বিহার দানে উত্তম জীবন দর্শন করা যায়

প্রতিবেদক- বির এম. ধর্মবোধি ভান্তে
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ রবিবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৩,
  • 967 বার দেখা হয়েছে

বিহার দানের মহাফল হয় এবং বিহার দানে উত্তম জীবন দর্শন করা যায়-

লিখছেন- স্থবির এম.ধর্মবোধি ভান্তে
(প্রকাশক, সম্পাদক ও অনুবাদক)
সম্পাদক ও প্রকাশক- জ্ঞান অন্বেষণ অনলাই নিউজ পৌর্টাল।
অধ্যক্ষ, ঐতিহাসিক পুণ্যতীর্থ আবদুল্লাপুর শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার।
১১আগস্ট ২০২৩ ইংরেজি, শুক্রবার।

ধর্ম মননে ও আচরণে অনুশীলন করলে ধার্মীক
ধর্মের আর্শিবাদ লাভ করতে পারেন এবং ত্রিরত্নের অনন্তগুণ মহীমায় জীবন উর্দ্ধলোকে গমন করেন। বিশুদ্ধ ধর্ম অনুশীলনের উত্তম স্থান হচ্ছে পরিশুদ্ধ একটি সাঙ্ঘিক বিহার, যেখানে অতিত, বর্তমান ও ভবিষদ ভিক্ষু-সংঘ অন্তরায়মুক্ত চিত্তে অবস্থান করতে পারেন। আর এই বিহার থেকেই মূলত বুদ্ধের ধর্ম বিকাশিত হয়, প্রচার হয় ও প্রসার হয়। দেব লোক, ব্রম্মলোক, এবং নির্বাণ মার্গ লাভ করা সম্ভব হয় আর এই সুযোগ গ্রহন করেন ধার্মীক পুণ্যবান ব্যক্তিগণ, নিজের জীবনকে সুন্দর ও বিকাশিত করার জন্য বিহার দানের গুরুত্ত্ব খুব অপরশীম, অনন্য ও অনবদ্য।

বিহার দানের কি যে মহৎ মঙ্গলপদ ফল হয় সেই বিষয়ে যে সমস্ত ধার্মীক ব্যক্তিগন জ্ঞান রাখেন বা জানেন তারা দান না করে একবিন্দু মাত্র অন্ন ভোজন করবেন না।

লিখার কলরব বৃদ্ধি না করে বিহার দানের দাতাগণের কিরুপ মঙ্গল সাধিত হয় তার কিছু মাত্র নিম্মে আলোচনা করছি।

ভগবান বুদ্ধ মহাশ্রেষ্ঠী অথানপিন্ডিক ও মহাউপাসিকা বিশাখাকে কেন্দ্র করে জেতবন বিহারে বিহার দানে মহাফল বর্ণনা করতে গিয়ে বুদ্ধসেবক আনন্দ স্থবিরকে উপলক্ষ করে বুদ্ধ বলেছেন ওহে আনন্দ যে সমস্ত পুণ্যার্থীবৃন্দ বিহার দান করেন, বিহার দানে সহযোগি হন, বিহার দান করতে উৎসাহ প্রদান করেন এবং বিহার দানে অবদান রাখেন তারা মহাপুণ্যের ভাগি হন, দিবারাত্রি কুশল অর্জন করেন, দাতাগন বিহার দানের ফলে দেব-মনুষ্য জীবন লাভ করেন। শ্রেষ্ঠ দেব বিমান লাভ করতে সক্ষম হন। অট্টালিকায় মহাপ্রসাদ লাভ করেন এবং তাতে দেব ভোজ্য ও খাদ্য লাভ করে থাকেন।

আনন্দ বিহার দানের পুণ্যফলে বিভিন্ন হিংস্র প্রাণীর আক্রমন থেকে রক্ষা হন। বিপদ, অন্তরায় থেকে মুক্তিপান। দুঃখ স্বপ্ন দেখেন না, সুখে নিদ্রা যাপন করেন। অন্ন, কাপর, বাসস্থান, চিকিৎসা, ও শিক্ষা লাভ করেন। অভাব অনঠন থেকে রক্ষাপান, আয় রোজগার বৃদ্ধি পায়। চতুরার্য্য সত্য দর্শন করতে পারেন। লোভ-মোহ ক্ষয় করে নির্বাণ লাভ না করা প্রর্যন্ত দেব ও ব্রম্মলোকে গমন করেন এবং সকল অরিক্ষয় করে নির্বান দর্শন করতে পারেন।

আনন্দ বিহার দান দানগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মহাফল-দায়ক দান সুতরাং এই দানের মাধ্যমে শাসন স্বধর্মের কল্যান সাধন করে ইহ ও পর লোকে এবং ৩১ লোকভূমিতে উচ্চস্থান লাভ করতে সক্ষম হয়।

আমরা ত্রিপিটকের সুত্র পিটক অধ্যায়ন করলে দেখতে পাই বুদ্ধকালীন সময়ে অনাথপিন্ডিক শ্রেষ্ঠী, মহাউপাসিকা বিশাখা, জেতকুমার সহ অসংখ্য ব্যক্তিগন বিহার নির্মান করে আড়াই হাজার বছর পরও মানব মন্দিরে পূজিত হচ্ছেন, স্মৃতির পাতায় অমর হয়ে রয়েছেন।

বর্তমানে বৌদ্ধপ্রতিরুপ দেশে দাতাগন বিহার দান করে নিজে এবং পরিবারকে অমর করে রেখেছেন।

ভারত-বাংলাদেশেও অগনিত পুণ্যবান ব্যক্তিগনের উদার সুন্দর চিন্তার উত্তমফলরুপে বর্তমানে দৃষ্টিনন্দন দেব-বিমানরুপে অনেক বিহার নির্মান হয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় বুদ্ধভূমি চট্টগ্রাম মহানগরে দেববিমান ও পুণ্যপ্রতিষ্ঠান বুদ্ধের ঘর, ভিক্ষু সংঘের সংঘরাম, নির্বাণ লাভের জন্যতম স্থান বিহার নির্মান করার জন্য প্রাণপণচেষ্টা করে যাচ্ছি।

বিশুদ্ধ শীলে শুদ্ধ ভাবে জীবন আচরন করে অমর হয়েছে শ্রদ্ধেয় শ্রদ্ধালংকার মহাথের মহোদয় শ্রদ্ধেয় ভান্তের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে চট্টগ্রামে “সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার বৌদ্ধ বিহার কমপ্লেক্স” নাম করণ করে এর নির্মান কপ্লে শ্রদ্ধাবান দায়ক দায়িকাবৃন্দেরর শ্রদ্ধাদানে ভূমিক্রয় ও বিহার নির্মান কাজ শুরু করবো সুতরাং এই মহতি মহাফলদায়ক মহাপুণ্যময় কর্মে আপনাদের শ্রদ্ধাদান ও সর্ববিধ সহযোগিতা কামনা করছি।

আপনাদের সকল সহযোগিতা সদরে গ্রহন করে ভবিষদে শীলাফলকে স্মৃতি রক্ষায় সংক্ষন হবে যাতে করে প্রজম্ম থেকে প্রজম্মরা অনাথপিন্ডিক শ্রেষ্ঠী, মহাউপাসিকা বিশাখা, জেতকুমারের মত দাতাদেরও শ্রদ্ধায় সম্মানে, গৌরবে স্মরণ করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার (রাত ১:৩০)
  • ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।