1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ৩:০৭
শিরোনামঃ
সপ্ত অপরিহানীয় ধর্ম: সংঘবদ্ধ জাতি ও আদর্শ সমাজ গঠনের বৌদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি সম্মান আয়নার মতো—আপনি যেমন দেবেন, তেমনই ফিরে পাবেন নিজের মন-চিত্তকে জানা: বুদ্ধদর্শনের আলোকে আত্ম-পর্যবেক্ষণ ও সত্য উপলব্ধি কর্মফল, কর্মনিয়তি এবং তথাগত বুদ্ধের জীবনদর্শন: ধর্মের পরিহানির মূল কারণ: না জেনে, না বুঝে পণ্ডিত হওয়ার প্রবণতা প্রাণী হত্যা ও তার চার প্রকার পাপ: বৌদ্ধধর্মের আলোকে  আলোচনাটি করলাম মা-বাবা: জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ — বৌদ্ধধর্মের আলোকে এই আলোচনা পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতিই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারে! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভদন্ত মহাস্থবির ড. এস. লোকজিৎ ভিক্ষু পাপগ্রস্ত মানুষের দুঃখ ও মৃত্যুমুখে পতন:

আজকের ২য় প্রর্যায়ে আলোচনা করছি, ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ কথা

ধর্মদূত স্থবির এম ধর্মবোধি ভিক্ষু
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, জানুয়ারি ৯, ২০২৬,
  • 408 বার দেখা হয়েছে

আজকের ২য় প্রর্যায়ে আলোচনা করছি, ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ কথা


কলমে- ধর্মদূত স্থবির এম ধর্মবোধি ভিক্ষু

অধ্যক্ষ, গুমানমর্দ্দন শান্তি বিহার, হাটহাজারি

প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, শ্রদ্ধালংকার বুদ্ধ বিহার ও ভাবনা কুঠির।


বাংলাদশে ধুতাঙ্গ কথাটি বহু প্রাচারিত শব্দ,  আমি প্রথমিক ভাবে পাংশুকলিক ধুতাঙ্গ বিষয়ে আলোচনা করেছি মানবের কল্যানে। আমি মানুষের কল্যানে এবং জ্ঞান অর্জন করার জন্য খন্ড খন্ড সহজ ভাবে আলোচনা করছি, কারন ধুতাঙ্গ বল্লে বহু মানুষ বহুভাবে আলোচনা, সমালোচনা, পক্ষ-বিপক্ষসহ নানা প্রথা বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমাজে চলমান রয়েছে। এই বিয়গুলি নিয়ে বিষয় হচ্ছে আজকের ২য় প্রর্যায়ে আলোচনা করছি, ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ কথা

ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ কথা আলোচনাঃ- এরপরে “চতুর্থ চীবর প্রত্যাখ্যান করছি” অথবা “ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ গ্রহণ করছি” এ দুটোর যেকোনো একটা কথার মাধ্যমে ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ গৃহীত হয়ে থাকে।

- ধর্মদূত স্থবির এম ধর্মবোধি ভিক্ষুঅধ্যক্ষ, গুমানমর্দ্দন শান্তি বিহার, হাটহাজারি প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, শ্রদ্ধালংকার বুদ্ধ বিহার ও ভাবনা কুঠির।

– ধর্মদূত স্থবির এম ধর্মবোধি ভিক্ষু
অধ্যক্ষ, গুমানমর্দ্দন শান্তি বিহার, হাটহাজারি
প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ, শ্রদ্ধালংকার বুদ্ধ বিহার ও ভাবনা কুঠির।

ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গধারী চীবর বানানোর কাপড় লাভ করলে যতদিন পর্যন্ত অসুস্থতাবশত চীবর বানাতে না পারে, অথবা সহায়তাকারী না পায়, অথবা সুচ প্রভৃতি জিনিস না থাকে, ততদিন পর্যন্ত সেটা ফেলে রাখলে তাতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু রং করার পর থেকে আর ফেলে রাখা ঠিক নয়, তাহলে ধুতাঙ্গচোর বা ধুতাঙ্গের ভানকারী হতে হয়। এই হচ্ছে ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গের বিধান।

প্রকারভেদ : এটিও তিন প্রকার। এর মধ্যে উৎকৃষ্ট ত্রিচীবরিক ভিক্ষুর রং করার সময়ে প্রথমে অন্তর্বাস অথবা চীবর রং করে সেটা অন্তর্বাসের মতো পরিধান করে এরপর অন্যটি রং করা উচিত। সেটা গায়ে দিয়ে এরপর দোয়াজিক রং করা উচিত। কিন্তু দোয়াজিক অন্তর্বাসের মতো পরা ঠিক নয়। এটি হচ্ছে গ্রাম্য বিহারে অবস্থানকারীর ব্রত। জঙ্গলে অবস্থানকারী হলে দুটোই একসাথে ধুয়ে নিয়ে রং করতে পারে। তবে কাউকে দেখলে যাতে চীবর টেনে নিয়ে নিজেকে আবৃত করা যায় এমন কাছাকাছি স্থানে বসে থাকা উচিত। মধ্যম ত্রিচীবরিক ভিক্ষুর রং করার ঘরে রং করার সময় পরার জন্য চীবর থাকে। সেটা অন্তর্বাস হিসেবে পরিধান করে, অথবা চীবরের মতো গায়ে দিয়ে রং করা উপযুক্ত। মৃদু ত্রিচীবরিকের নিজের নিকায়ের ভিক্ষুদের চীবর অন্তর্বাস হিসেবে পরিধান করে অথবা চীবরের মতো গায়ে দিয়ে রং করা উপযুক্ত। এক্ষেত্রে বেডসীটও তার জন্য উপযুক্ত। কিন্তু সেটা গায়ে দিয়ে ঘুরতে যাওয়া ঠিক নয়। নিজের নিকায়ের ভিক্ষুদের চীবরগুলোও সে মাঝে মাঝে ব্যবহার করতে পারে। ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গধারীর কাছে চতুর্থ বস্ত্র হিসেবে অংসবন্ধনী ব্যবহার করা উপযুক্ত, কিন্তু সেটি প্রস্থে এক বিঘত এবং লম্বায় তিনহাত হতে পারবে।

এই তিনজন ত্রিচীবরিকের চতুর্থ চীবরে সম্মতির মুহূর্তেই ধুতাঙ্গ ভঙ্গ হয়। এই হচ্ছে ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ ঙ্গ হওয়া।

এর সুফল হচ্ছে : ত্রিচীবরিক ভিক্ষু দেহ রক্ষাকারী চীবরেই সন্তুষ্ট থাকে। পাখি যেমন যেখানে যেখানে যায় তার ডানাগুলোসহ যায়, ত্রিচীবরিক ভিক্ষুও তেমনি ত্রিচীবর নিয়েই গমন করে। তার যত্ন-আত্তি করার মতো কাজ অল্পই থাকে, বস্ত্র জমা রাখার কাজ করতে হয় না, জীবন যাপন লঘু ভার হয়, বহু চীবরের প্রতি লোভ পরিত্যক্ত হয়, এমনকি যতটুকু অনুমোদিত তাতেও সে কঠোর মাত্রাজ্ঞান বজায় রেখে সাদাসিধে জীবন যাপন করে, তার অল্পেচ্ছুতা প্রভৃতি গুণাবলীর ফলাফল পরিপূর্ণতা লাভ করে।

অতিরিক্ত বস্ত্রের তৃষ্ণা পরিত্যাগ করে

বিজ্ঞ ব্যক্তি জমা রাখা বর্জন করেন,

সন্তোষ সুখের আস্বাদ জেনে তিনি ত্রিচীবরধারী হন।

সে-কারণে পাখি যেভাবে নিজের ডানা ও পা নিয়ে উড়ে যায়,

সেভাবে সুখে বিচরণ করতে ইচ্ছুক যোগীশ্রেষ্ঠও

তার চীবরে মিতব্যয়ী হয়ে সুখ লাভ করেন।

এভাবে ত্রিচীবরিক ধুতাঙ্গ গ্রহণ, নিয়মনীতি, প্রকারভেদ, ভঙ্গ হওয়া এবং সুফল বর্ণনা করা হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার (রাত ৩:০৭)
  • ৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।