1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| বিকাল ৪:৪২

পঞ্চশীল: নৈতিক জীবন ও বিশ্বশান্তির ভিত্তি

জ্ঞান অন্বেষণ ডেক্স
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ মঙ্গলবার, মে ১২, ২০২৬,
  • 92 বার দেখা হয়েছে

পঞ্চশীল: নৈতিক জীবন ও বিশ্বশান্তির ভিত্তি

রবিন বড়ুয়া (এম. এ.) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।


ভূমিকা:

” সীলেন সুগতিং যন্তি সীলেন ভোগসম্পদা

সীলেন নিবুতিং যন্তি তস্মা সীলং বিসোধয়ে।”

অনুবাদ- শীলবানেরা শীল পালনের দ্বারা স্বর্গে গমন করে, ভোগসম্পত্তি লাভ করে এবং শীলের দ্বারা নির্বাণ লাভ করে। সে কারণে শীলাচার বিশুদ্ধ হওয়া উচিত। (তথ্যসূত্র- ত্রিপিটক,১৯৯৯। পৃ-১৫৬, সুদর্শন বড়ুয়া।)

শীল হল সদাচার।  এ সদাচার পালনের দ্বারা মানুষ সৎজীবনের অধিকারী হতে পারে। শীল ধর্মীয় জীবনের ভিত্তি। শীল সৎজ্ঞান ও মহান গুণাবলী অর্জনের দ্বারস্বরূপ। পঞ্চউপাদান স্কন্ধ দুঃখ হতে মুক্তিলাভের জন্য, সকল প্রকার মার্গফলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য অবশ্যই শীল পালন করতে হবে।

শীল কি?:

বৌদ্ধধর্মে শীল হচ্ছে সমাধির ভিত্তি এবং সমাধি হল প্রজ্ঞার ভিত্তি। সমাধিপরায়ণ হতে হলে শীলবান হতে হয়। তাই নির্বাণ সোপানে শীল হল প্রথম সোপান। শীল শব্দের অর্থ স্বভাব বা চরিত্র। সৎ স্বভাব ও চরিত্র গঠনের জন্য বুদ্ধ গৃহী ও গৃহত্যাগী ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে কিছু বিধিবদ্ধ নীতিমালা প্রবর্তন করেন, এসব নীতিমালার নামই শীল।

শীল চরিত্র গঠনের নিয়মাবলী, যে নিয়মাবলী পালনের মাধ্যমে মানুষ উন্নত হতে উন্নততর জীবন লাভ করতে পারে। পরিশুদ্ধভাবে শীল পালন দ্বারা তথাগত বুদ্ধ আয়ত্ত করেছিলেন জীবজগতের দুঃখ ও দুঃখ নিবৃত্তির পন্হা। শীল কুশল কর্মের আঁধার। শীল কায়িক-বাচনিক-মানসিক কর্মকে পরিশীলিত করে। শীল পালনে মনের প্রদাহ নির্বাপিত হয়। নৈতিকতা ও সুচরিত্র গঠনে শীলের ভূমিকা অপরিসীম।

শীলের প্রকারভেদ:

“বিশুদ্ধিমার্গ” গ্রন্হে বহুবিধ শীলের বিভাগ পাওয়া যায়। তন্মধ্যে অন্যতম আলোচ্য ২ টি শীল।

যথা: ১/ বারিত শীল ও ২/ চারিত্র শীল

বারিত শীল: কায় ও বাক্য দ্বারে অকুশল কর্ম থেকে বিরতিই হল বারিত শীল। যেমন – পঞ্চশীল, অষ্টশীল, দশশীল।

চারিত্র শীল : সাধারণত শিষ্টাচার পালন করাকেই চারিত্র শীল বলে। এটি চিত্ত মৃদুতা ও কৃষ্টির উপর নির্ভরশীল।

বর্তমান বৌদ্ধ সমাজে বারিত শীলই অধিক পরিচিত ও জনপ্রিয়। সাধারণ গৃহীদের জন্য পঞ্চশীল ও অষ্টশীল, প্রবজ্যা গ্রহণকারী শ্রামণদের জন্য দশশীল।

পঞ্চশীল পরিচিতি:

সাধারণ গৃহস্হ/উপাসক-উপাসিকাদের নিত্য প্রতিপালনীয় ৫টি শীলই পঞ্চশীল। বৌদ্ধ মাত্রেই পঞ্চশীল গ্রহন ও পালন অত্যাবশ্যকীয়। বুদ্ধের শিক্ষা ভোগের নয়, ত্যাগের। আর এই ত্যাগ অনুশীলনের প্রথম ধাপই পঞ্চশীল। ত্রিলোকশ্রেষ্ঠ ত্রিরত্নের শরণ গ্রহন করে পঞ্চশীল গ্রহণ করতে হয়৷ সেই ৫ টি শীল যথাক্রমে-

১. প্রাণীহত্যা থেকে বিরত থাকতে হবে

২. অদত্তবস্তু গ্রহন তথা চুরি থেকে বিরত থাকতে হবে

৩. অবৈধ কামাচার ও পরকীয়া থেকে বিরত থাকতে হবে

৪. মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. সুরা/মদ্যপান এবং সকল প্রকার মাদকদ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।

পঞ্চশীল পালনের সুফল:

পঞ্চশীলসমূহ সকল বুদ্ধগণ দ্বারা সর্বদাই প্রশংসিত। “সতিপট্ঠান সূত্রে” এই শীলকে আর্যফলে গমনের পথে মৌলিক দিশারী বলা হয়েছে। সাধনা মার্গে প্রবেশের প্রথমেই পঞ্চশীলে প্রতিষ্ঠিত হতে হয়। পঞ্চশীলের সুফল বর্ণনাতীত; বৌদ্ধ শাস্ত্র অনুসারে নিম্নে তার সারসংক্ষেপ আলোচিত-

১. প্রানিহত্যা থেকে বিরত ব্যক্তির শারীরিক অঙ্গ পরিপূর্ণতায় ভরা থাকে। খর্বতা, বিকলাঙ্গতা ইত্যাদি দোষহীন হয়ে তিনি বীর ও মহাবলসম্পন্ন হন। তিনি নিরোগী, শোকহীন, বিচ্ছেদ-বিরহহীন ও দেনাবিহীন হয়ে সুখে জীবনযাপন করেন।

২. যেসব ব্যক্তি চুরি করে না তারা মহাসম্পত্তির অধিকারী হন, ধনধান্য ও অনন্ত ভোগ্যবস্তু লাভ করেন। চোর, আগুন, জল ও শত্রুর উপদ্রব দ্বারা তার সম্পত্তি বিনষ্ট হয় না। তিনি যা আশা করেন শীঘ্রই তা লাভ করেন।

৩. কামাচার ও অনাচারে বিরত ব্যক্তি সকলের প্রিয় হন। তিনি ভয়শূন্য, নির্ভীক ও প্রিয়বিয়োগ দুঃখহীন হয়ে সুখে দিন পার করেন। তিনি সুখে নিদ্রা যান ও জাগ্রত হন।

৪.যিনি মিথ্যা বলেন না তার ইন্দ্রিয় শক্তিশালী হয়, সকল দন্ত সমান, শুভ্র ও দুর্গন্ধমুক্ত হয়। পরিবার-পিরজন তার যথেষ্ট সেবা করেন।

৫. মাদকদ্রব্য ও ধূমপান থেকে বিরত ব্যক্তি বর্তমান ও ভবিষ্যতের করণীয় কাজে দক্ষ ও চটপটে হন। তিনি কৃপণতাশূণ্য ও দানপরায়ণ হন। তার মেধা ও পান্ডিত্য সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, শীলময় জীবনযাপনকারী ব্যক্তি সহজেই ৪টি মানবীয় গুণ (মৈত্রী, করুণা, মুদিতা, উপেক্ষা) অর্জন করতে পারেন, যা তাকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাবে।

পঞ্চশীল লঙ্ঘনের কুফল :

জল দ্বারা যেমন শরীরের ময়লা দূর করা যায়, সেরূপ শীলপালন দ্বারা মনের ময়লা বা কলুষতা দূর করা যায়। তাই শীল লঙ্ঘনে মনের কালিমা বাড়তেই থাকে ও পরজন্মে তার পরিণাম ভোগ করতে হয়। পঞ্চশীল লঙ্ঘনের কুফলসমূহ ভয়াবহ-

১. যারা প্রাণীহত্যা করেন তারা মৃত্যুর পর তির্যক, প্রেত, অসুর ও নরক এই ৪ অপায়ে উৎপন্ন হয়। মানুষ হয়ে জন্ম নিলেও অল্পায়ু হয়।

২. চুরিকর্মে জড়িত ব্যক্তি ভোগসমৃদ্ধি হতে বঞ্চিত হয়। কঠোর দারিদ্রের নিষ্পেষণে সর্বশূণ্য হয়ে পীড়িত জীবন লাভ করে।

৩. অবৈধ ও মিথ্যা কামাচারী ব্যক্তি বহু শত্রুযুক্ত ও নপুংসক হয়ে জন্মগ্রহণ করে।

৪. যারা মিথ্যাবাক্য বলে তারা দন্ডপ্রাপ্ত হয়, অন্যের কৃতদোষে দোষী হয়।

৫. মদ ও মাদক সেবনকারী ব্যক্তি উন্মত্ত হয়ে জীবন পার করে, প্রমত্ত হয়ে নিজের জীবনের সর্বনাশ ডেকে আনে।

বিশ্বশান্তি উন্নয়নে পঞ্চশীল:

বিংশ শতাব্দীর বিশ্ব আজ ধর্মান্ধতা, সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, অসীম লোভ, সীমাহীন স্বার্থপরতা ও উৎকট যুদ্ধের দামামায় ভস্মীভূত।  মানুষের কপটতায়, শঠতায়, শোষণে, হননে, ক্ষুধার্তের ক্রন্দনে ও পারমানবিক অস্ত্রের ব্যবহারে আজকের বিশ্ব থেকে শান্তি যেন নির্বাসিত! পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক – সকল প্রেক্ষিতে শান্তির ললিত বাণী সর্বত্রই ব্যার্থ, পরিহাসে পর্যবসিত।  মানবসভ্যতার চরম সংকট ও বিশ্বশান্তির এই হতাশাব্যাঞ্জক পরিস্হিতিতে মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করে আবার সুন্দর বিশ্ব প্রতিষ্ঠার একটিমাত্র পথই উন্মুক্ত ; আর তা হল মহামানব বুদ্ধ প্রবর্তিত পঞ্চশীল অনুশীলন। কারণ পঞ্চশীলের আহ্বানই মানুষকে দিতে পারে অপিরিসীম মৈত্রী, মহাকরুণা ও অপূর্ব সহনশীলতা। গড়তে পারে মানুষে-মানুষে ও দেশে-দেশে অন্তরঙ্গ সহাবস্হান।

বর্তমানে বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার প্রধান কারণ – লোভ,দ্বেষ ও মোহ, যার পরিণতি যুদ্ধ। আর এই সর্বনাশা যুদ্ধে মারা পড়ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ।  এই যুদ্ধ মানুষের প্রাণ নিতে এতটুকুও কুণ্ঠাবোধ করছে না, রক্তপাত হচ্ছে অহরহ।

কিন্তু এই রক্তস্রোত শীঘ্রই বন্ধ করতে পারে পঞ্চশীলের ১ম শীল – “প্রাণীহত্যা থেকে বিরত থাকো”।  শুধু মানুষ নয় সকল জীবের দুঃখ নিবারণে এই শীল সর্বশ্রেষ্ঠ। এই শীলের মাহাত্ম্যই এমন যে, এটি পালনে জীবকুলের প্রাণরক্ষা করাই দৈনন্দিন জীবনের ভাবনা হয়ে ওঠে, ফলে কারো প্রাণনাশের আর প্রশ্নই উঠে না। ১ম শীল পালনে তাই দূর হবে হিংসা বিদ্বেষ,  বন্ধ হবে সকল যুদ্ধ, জয় হবে মনুষ্যত্বের।

মানবজীবনে অশান্তির আরেক প্রধান কারণ – জাগতিক বস্তুর প্রতি লোভ। এই লোভই প্রতিনিয়ত মানবকে নিপাতিত করে বাসনার চক্রজালে। অর্থ ও ঐশ্বর্যের লোভ মানুষকে উন্মত্ত করে তুলে। তখন সে ঝাপিয়ে পড়ে অন্যের অর্থ-সম্পদ চুরি ও লুটে নেয়ার প্রবঞ্চনায়। যা পুরো বিশ্বে সৃষ্টি করে অনৈতিকতা, হিংসা ও সন্দেহের বিষবাষ্প; ভঙ্গ করে পারস্পরিক বিশ্বাস। আর এই অসৎ পন্হা ও অপরাধ থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় পঞ্চশীলের ২য় শীল, ” চুরিকর্মে লিপ্ত হয়ো না”। যা মানুষের লোভ দূর করে। যা কিছু পাও তাতেই তুষ্ট রাখো মন এই নীতিতে বিশ্বাসী হতে শেখায়। মানুষ সৎপথে ও শান্তিতে বাঁচতে শেখে।

বিশ্বজুড়ে আজ নগ্নতার ঢেউ। নারীত্বের অবমাননা আজ ততটুকুই প্রসারিত যা ভাবতে গেলই চমকে ওঠতে হয়। এতে করে মিথ্যা কামাচার ও অবৈধ সম্পর্ক চরমে পৌঁছেছে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের হিড়িক পড়ছে বিশ্বজুড়ে,  সাথে বাড়ছে প্রিয়জনের প্রতি অবিশ্বাস, ক্রোধ। এতে বিশ্ব হয়ে ওঠছে অশান্তির কারখানা।

পঞ্চশীলের ৩য় শীলে এই ভয়ংকর অপরাধ থেকে নিজেকে দূরে রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এই শীল পালনে কামাচারের মত বিষাক্ততা থেকে বিশ্বকে উদ্ধার করা সম্ভব।

বর্তমান বিশ্বে অহরহ অসংযত, রূঢ় ও মিথ্যাবাক্য মানুষের মনে অশান্তির সৃষ্টি করছে। মিথ্যাবাক্য পারস্পরিক সম্প্রীতি  নষ্ট করছে, সামান্য মিথ্যাবাক্য থেকে  সৃষ্টি হচ্ছে বড় কোনো হতাহতের ঘটনা।  পঞ্চশীলের ৪র্থ শীলটি এই মিথ্যাবাক্যকে বিলুপ্ত করে। সংযত আচরণ ও সদুপায়ের  মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব বিনির্মাণের শিক্ষা দেয়।

# মদ্যপান, বিভিন্ন ও মাদকদ্রব্যের মরণ ছোবলে ভেঙে পড়ছে অসংখ্য পরিবার, ধ্বংসের পথে হাঁটছে জাতি, বিঘ্নিত হচ্ছে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা। মাদকাসক্ত ব্যাক্তিরা জড়িয়ে পড়ছে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, চোরাচালানের মত মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডে, যাতে ব্যাহত হচ্ছে বিশ্বশান্তি। আধুনিক যুগে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবেও চালকের মদ্যপানের বিষয়টি ওঠে আসছে। পঞ্চশীলের ৫ম নীতিটি এই মদ ও মাদক থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়। এই শীল পালনে ব্যাক্তি অপ্রমত্ত থাকে, নিজের কর্মে মনোযোগ দিয়ে জীবন সুন্দর করতে পারে।

জাতিসংঘ উপরোক্ত গুণের বিচার করে বিশ্বশান্তির পক্ষে সহায়ক হিসেবে বুদ্ধ প্রবর্তিত পঞ্চশীল নীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তাদের নীতিনির্ধারণে সংযোজন করেছে। এখনই তাই সময়, বুদ্ধের অহিংস নীতিকে গভীরভাবে অনুধাবন করে পঞ্চশীলে জোর দেয়া,  তাতে অচিরেই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা হবে।

ইতিসংহার:

ব্যক্তিই হল রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সেই ব্যক্তিই যদি সৎ না হয়, তার মন থেকে প্রাণীহত্যা, চুরি, মিথ্যাকথা দূরীভূত না হয়; কামাচার ও মাদকাসক্তি নির্মূল না হয় তবে বিশ্বশান্তি চিরকালই মানুষের নাগালের বাইরে বন্যকোকিল হয়েই থাকবে। মনের ভেতর ছুরি শাণ দিতে দিতে শুধু মুখেই শান্তির বাণী আওড়ালে বিশ্বে শান্তি নেমে আসবে না। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু তাই বলেছিলেন, ” The Buddha or Yuddha? The path shown by the Buddha or the road that leads to mutual slaughter?”

তাই সর্বশেষে বলতে হয়, পঞ্চশীলের পাঁচ নীতি মেনে মানুষ যদি হত্যা-চুরি-মিথ্যা-মাদক থেকে বের হয়ে আসতে পারে তবেই মানুষে মানুষে সৃষ্টি হবে প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসা, যা বিশ্বশান্তির প্রথম এবং একমাত্র শর্ত। পঞ্চশীল  মানলে বিশ্বে আর কোনো সংঘাত থাকবে না, সহাবস্হানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি, মহাশান্তি।

 

তথ্যসূত্র :

১. বড়ুয়া, সুদর্শন। (১৯৯৯)। ত্রিপিটক।পৃ. ১৫৬

২. বড়ুয়া, সুদর্শন। (২০০১) সদ্ধর্ম শিক্ষানীতি।পৃ. ১২৫

৩. থের, এস. লোকজিৎ। (২০০৬)

ত্রিশরণ ও পঞ্চশীল। পৃ. ৪৩-৪৪

৪. রওশন আরা। গৌতম বুদ্ধ ও বিশ্বশান্তি।

৫. Banerjee, Maitrey। (1986)। BD Journal of    Buddhist Studies, vol-iii, (45–60)।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (বিকাল ৪:৪২)
  • ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।