স্থবির এম. ধর্মবোধি ভিক্ষু কর্তৃক বুদ্ধগয়া বোধিপালংঙ্কে সংঘদান, সুত্রপাঠ ও পুণ্যদান অনুষ্ঠান হয়
গত ৬ ডিসেম্ভর ২০২৪ ইংরেজী, স্থবির এম. ধর্মবোধি ভান্তের ব্যবস্থাপনায় তথাগত যেস্থানে বসে বোধিজ্ঞান লাভ করে বুদ্ধ হয়েছেন সেই মহাপুণ্যস্থান বোধিপালংঙ্কে সংঘদান, সুত্রপাঠ ও পুণ্যদান অনুষ্ঠান করা হয়।

এম. ধর্মবোধি স্থবির বলেন আমি যতবার এই পুণ্যস্থান পৃথিবীর নাভীস্থল বুদ্ধগয়া বা মহাবোধিস্থলে আসি তখন সবার সুখ মঙ্গল কামনায় মহৎ কর্ম সম্পাদন করি, গত ২০১৯ সনে খুব সুন্দর ভাবে বিশাল আয়োজনে করেছি অষ্টপরিস্কারদান, সংঘদান এবং জ্ঞাতীভোজন ও পুণ্যদান। এই বছর উক্ত পুণ্যানুষ্ঠান ছিলো আমার জন্য অন্যরকম।
শ্বয়ং মহাবোধি’র নিছে এমন পুণ্যকর্ম সম্পাদন সত্যিই মনোমুগ্ধকর এবং দুসাধ্য বিষয়। আমার পরমগুরু ভান্তে পরিশুদ্ধ বুদ্ধপুত্র স্বধর্মধ্বজ শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির মহোদয়ের নির্বাণ সুখ এবং আমাকে যারা সুখে, দুখে, হাঁসি আনন্দে সর্বদা সহযোগিতা করেছেন, রক্ষা করেছেন, শ্রদ্ধায় সম্মানে, বিশ্বাস ও ভক্তিতে আবদ্ধ রেখেছেন সকল কল্যানমিত্রগণের নিরোগ, সুস্থ, ধর্ম-ময় দীর্ঘ জীবন কামনায় এই মহতি পুণ্যকর্ম উৎসর্গ করেছি।
আমি কৃতজ্ঞ আমার জম্মদাতা পিতা ও মাতা কাছে যাদের অতুনীয় শ্রেহ্ন মমতায়, অসীম ভালোবাসায় আমি বুদ্ধ শাসনে দীক্ষা লাভ করে দূল্লভ মানব জীবনে স্বার্থক করতে পেরেছি।
বিশেষ ভাবে আমার এই মহৎ কর্মে যারা সমপুণ্য লাভ করেছেন এবং যাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা এবং সহযোগিতা ছিলো এই পুণ্যকর্মে আমার আবদুল্লাপুর শাক্যমুনি বিহারের দায়ক-দাযিকা বৃন্দ, গুমানমদ্দন শান্তি বিহারের দায়ক-দায়িকা বৃন্দসহ সবার কাছে কৃতজ্ঞতা যাপন করছি।