1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| রাত ১:২৩
শিরোনামঃ
সপ্ত অপরিহানীয় ধর্ম: সংঘবদ্ধ জাতি ও আদর্শ সমাজ গঠনের বৌদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি সম্মান আয়নার মতো—আপনি যেমন দেবেন, তেমনই ফিরে পাবেন নিজের মন-চিত্তকে জানা: বুদ্ধদর্শনের আলোকে আত্ম-পর্যবেক্ষণ ও সত্য উপলব্ধি কর্মফল, কর্মনিয়তি এবং তথাগত বুদ্ধের জীবনদর্শন: ধর্মের পরিহানির মূল কারণ: না জেনে, না বুঝে পণ্ডিত হওয়ার প্রবণতা প্রাণী হত্যা ও তার চার প্রকার পাপ: বৌদ্ধধর্মের আলোকে  আলোচনাটি করলাম মা-বাবা: জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ — বৌদ্ধধর্মের আলোকে এই আলোচনা পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতিই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারে! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভদন্ত মহাস্থবির ড. এস. লোকজিৎ ভিক্ষু পাপগ্রস্ত মানুষের দুঃখ ও মৃত্যুমুখে পতন:

আলস্য ও তন্দ্রা সম্পর্কে আজ আলোচনা করলাম

স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ সোমবার, মার্চ ৪, ২০২৪,
  • 483 বার দেখা হয়েছে

আলস্য ও তন্দ্রা সম্পর্কে আজ আলোচনা করলাম


কলমে- সত্যসারথি, স্থবির এম. ধর্মবোধি ভান্তে
অধ্যক্ষ- পৃর্ব কোদালা ধর্মাংকুর বিহার,
উদ্যোক্তা- সংঘনায়ক শ্রদ্ধালংকার মহাস্থবির বৌদ্ধ মেডিটেশন সেন্টার।


অনেক মানুষের আলস্য ও তন্দ্রা রয়েছে, পরিশ্রমের মাধ্যমে আলস্য ও তন্দ্রা আসলে বিশ্রামের মাধ্যমে তা পরিহার করা প্রয়োজন। তবে অনেকেই আছে সত্যিকার অর্থে আলস্য ও তন্দ্রা তাদের আচ্ছাধন করে সব সময়ই। সেই জন্য তারা সমাজ ও কর্মে সব সময় পরাজয় ডেকে আনে।

আলস্য ও তন্দ্রাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটি উপমা দিয়ে বলি

‘যদি এক পাত্র পানি শেওলা ও জলজ উদ্ভিদে ঢাকা থাকে, তখন স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি সেই পানিতে তাকিয়ে তার নিজের চেহারাকে যথাযথভাবে চিনতে এবং দেখতে পায় না। একইভাবে একজনের মনে যখন আলস্য ও তন্দ্রা এসে ভর করে, আলস্য ও তন্দ্রা দ্বারা অভিভূত হয়, তখন সে তার উৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রা থেকে পালানোর পথকে যথাযথভাবে দেখে না। ফলে সে তার নিজের মঙ্গলকে যথাযথভাবে বুঝতে এবং দেখতে পায় না, অপরেরটাও দেখতে পায় না, কারোরটাই দেখতে পায় না। এ ছাড়াও সে যে গ্রন্থগুলো বহুদিন আগে মুখস্থ করেছিল, সেগুলোকে আর মনে করতে পারে না, যেগুলো মুখস্থ করে নি সেগুলোর কথা তো বলাই বাহুল্য।’

অঙ্গুত্তরনিকায় এক নিপাত অধ্যায় করে দেখেছি সেইখানে তথাগগত বুদ্ধ বলেছেন :

“ভিক্ষুগণ, আমি অন্য একটি জিনিসও দেখছি না যা অনুৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রাকে জাগিয়ে তোলা, অথবা উৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রাকে সুদৃঢ় ও বিপুল করার কাজে এমন শক্তিশালী, তা হচ্ছে অনীহা, অবসন্নতা, অলসভাবে হাত পা টানটান করা, ভোজনের পরে ঘুমঘুম ভাব এবং মনের নিষ্ক্রিয়তা।

নিষ্ক্রিয়মনা ব্যক্তির মধ্যে অনুৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রা উৎপন্ন হয়, অথবা উৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রা সুদৃঢ় ও বিপুল হয়ে ওঠে।

আমি অন্য একটি জিনিসও দেখছি না যা অনুৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রাকে রোধ করা, অথবা উৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রাকে পরিত্যাগের কাজে এমন শক্তিশালী, তা হচ্ছে উদ্যম উৎপন্নকারী ধাতু, প্রচেষ্টা এবং ক্রমাগত প্রচেষ্টার ধাতু।

যে উদ্যমী হয়ে প্রচেষ্টা চালায়, তার অনুৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রা উৎপন্ন হয় না, অথবা উৎপন্ন আলস্য ও তন্দ্রা পরিত্যক্ত হয়।”

সতিপট্ঠান সূত্রের অর্থকথা বলে যে, আলস্য ও তন্দ্রার পরিত্যাগে সহায়ক ছয়টি বিষয় রয়েছে :

অতিরিক্ত ভোজন এর কারণ হয় বলে জানা, দৈহিক ভঙ্গিমার পরিবর্তন করা, আলোক সংজ্ঞা নিয়ে চিন্তা করা, খোলা জায়গায় থাকা, মহান বন্ধুত্ব
উপযুক্ত আলাপ।

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার (রাত ১:২৩)
  • ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।