1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে : স্থবির এম ধর্মবোধি ভান্তে
  3. asyrvwvn@tacoblastmail.com : NARYTHY496NEHTYHYHTR :
  4. sumibaruasushmita@gmail.com : Sumi barua :
১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| বিকাল ৩:৫২
শিরোনামঃ
সপ্ত অপরিহানীয় ধর্ম: সংঘবদ্ধ জাতি ও আদর্শ সমাজ গঠনের বৌদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি সম্মান আয়নার মতো—আপনি যেমন দেবেন, তেমনই ফিরে পাবেন নিজের মন-চিত্তকে জানা: বুদ্ধদর্শনের আলোকে আত্ম-পর্যবেক্ষণ ও সত্য উপলব্ধি কর্মফল, কর্মনিয়তি এবং তথাগত বুদ্ধের জীবনদর্শন: ধর্মের পরিহানির মূল কারণ: না জেনে, না বুঝে পণ্ডিত হওয়ার প্রবণতা প্রাণী হত্যা ও তার চার প্রকার পাপ: বৌদ্ধধর্মের আলোকে  আলোচনাটি করলাম মা-বাবা: জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ — বৌদ্ধধর্মের আলোকে এই আলোচনা পঞ্চশীল বা পঞ্চনীতিই বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে পারে! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন ভদন্ত মহাস্থবির ড. এস. লোকজিৎ ভিক্ষু পাপগ্রস্ত মানুষের দুঃখ ও মৃত্যুমুখে পতন:

বুদ্ধ’কে নিয়ে অযৌক্তিক মন্তব্য, বাধ্য হয়ে লিখলাম

জ্ঞান অন্বেষণ নিউজ
  • প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, মে ২৪, ২০২৪,
  • 713 বার দেখা হয়েছে
জান্নাতুন নাঈম প্রেীতি মুক্তমনা লিখক ও ব্রগার
জান্নাতুন নাঈম প্রেীতি মুক্তমনা লিখক ও ব্রগার

গৌতম বুদ্ধকে নিয়ে যে পরিমাণ উল্টোপাল্টা ইনফরমেশন পড়লাম তাতে এই লেখা লিখতে বাধ্য হলাম।


জান্নাতুন নাঈম প্রেীতিমুক্তমনা লিখক ও ব্রগার

জান্নাতুন নাঈম প্রেীতি
মুক্তমনা লিখক ও ব্রগার

জান্নাতুন নাঈম প্রেীতি

মুক্তমনা লিখক ও ব্রগার


২০১৫ সালে BBC এর ব্যাটার্নি হাউজ ‘Genius of the ancient world’ নামের একটা ডকুমেন্টারি সিরিজ করেন। অতি গুরুত্বপূর্ণ মিনি এই সিরিজের একটা পর্ব কাকে নিয়ে? বুদ্ধকে নিয়ে। ব্যাটার্নি দেখিয়েছেন প্রাচীন দুনিয়ায় সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী তিনজন মানুষের মধ্যে প্রথম ছিলেন- বুদ্ধ। কেন?

কারণ তাঁর যাবতীয় চিন্তাভাবনা জীবিত মানুষকে নিয়ে। দুনিয়ার সব রিলিজিয়ন বলে- আপনি মরার পরে একটা সুন্দর জীবন পাবেন, এজন্য কাজ করতে হবে জীবিত থাকাকালে। বুদ্ধ বললেন- না, মরার আগেই যদি রাগ, হিংসা পরিহার করা যায়, তাহলে আপনার এতো যন্ত্রণা হবে না। একে তিনি আদর করে নাম দিলেন- নির্বান লাভ!
আমরা আধুনিক মেডিটেশন যা করি, মেইনলি বুদ্ধ এটা স্টাবলিশ করে দিয়েছেন। শিখিয়েছেন- কেমন করে আমরা আত্মাকে শুদ্ধ করতে পারি তার একটা প্রক্রিয়া আছে।

জার্মান লেখক হেরম্যান হেস বুদ্ধকে নিয়ে লিখেছেন তাঁর অতি বিখ্যাত বই- সিদ্ধার্থ। আপনারা সময় নিয়ে এই বইটা পড়বেন। জানতে পারবেন, কি বিচিত্র মানুষ ছিলেন বুদ্ধ।

সত্য হলো বুদ্ধ যা বলেছেন সেটা একটা ফিলসফি, একটা দর্শন। কিন্তু মানুষ যেহেতু মহামানবদের স্মরণ রাখতে চায় এবং প্রচলিত ধ্যান ধারণার বাইরে ভাবেনা, তাই তারা বুদ্ধকে এনে বানিয়ে দিয়েছে ধর্মগুরু। বুদ্ধের ভাস্কর্যের মাথার ওপর যে গোল গোল ঝিনুকের টুপি দেখেন, সেটা ভালবেসে বানানো। কারণ নীরঞ্জনা নদীর তীরে পাকুড় গাছের তলায় বুদ্ধ ধ্যান করতেন এবং স্নান করার সময় নাকি ঝিনুকদের সাথে কথা বলতেন!

প্রাচীন যত বৌদ্ধ বিহার ছিলো এগুলো ছিলো আমাদের ভূখণ্ডের সবচেয়ে প্রাচীন ইউনিভার্সিটি। পাল রাজারা অক্সফোর্ড কেম্ব্রিজ বানাবার হাজার বছর আগে এই মনেস্ট্রি নামের ইউনিভার্সিটি বানিয়েছিলেন।
যদি আমাদের ভূখণ্ডের পাল রাজারা পরাজিত না হতো তাহলে দুনিয়ার সবচেয়ে পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয়ের হতো মূলত বৌদ্ধ বিহারগুলো।

ইন্টারেস্টিং তথ্য হলো- ‘স্নাতক’ শব্দটা এসেছে এই বৌদ্ধ বিহার থেকেই। গুরু যখন ছাত্রকে তার অর্জিত সকল জ্ঞান দিয়ে দিয়েছেন, তখন শেষ ধাপ হিসেবে ছাত্র গুরুর স্নান করার সেই বিশেষ পুকুরে স্নান করার সুযোগ পেতো। তারপর তাকে বলা হতো- তোমার স্নাতক আজ সম্পন্ন হলো!

আমরা অনার্সের সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যে আহ্লাদ করি, এটা মোটেই ইউরোপ থেকে আসেনি। এসেছে স্বয়ং বুদ্ধের আইডিয়া থেকে!

সারা দুনিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মতো স্বপ্ন যে লোক প্রথম বাস্তবায়ন করলেন তিনি মহামতি বুদ্ধ। এখন আপনি যদি জানতে চান তার অবদান কই- এরচেয়ে লজ্জার কথা আর কই আছে বলেন?

সংবাদটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

এ জাতীয় আরো খবর..

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (বিকাল ৩:৫২)
  • ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)

জ্ঞানঅন্বেষণ © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।