1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি : এম ধর্মবোধি স্থবির

প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
বৌদ্ধ বিবাহ নিয়ম ও মন্ত্র করোনার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে পরবর্তী মহামারি’ – সেমি লিড ভদন্ত কল্যাণমিত্র থের মহোদয়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন সিন্ধুরাজ-মল্লিকা রাণী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চক্কু শিবির, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয় ভিক্ষুসঙ্ঘের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যশ স্থবিরের বীর্যতার পরিচয় ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্মৃতি পদক ভূষিত হলেন ড. জিনবোধি মহাথেরো পূর্ব বিনাজুরী সার্বজনীন মৈত্রী নিকেতন বিহারে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত সব ধর্মই ভালোবাসার কথা বলে, সমস্যা রাজনীতিকেরা: দালাই লামা কঠিন চীবর দানের প্রসঙ্গকথা তিন বৌদ্ধ কৃতি সন্তানের সচিব পদে পদোন্নতি

বুদ্ধ ও সারিপুত্র ভান্তের বিদায় মুহুর্ত

  • আপডেটের সময়ঃ রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৭৫ বার পঠিত

বুদ্ধ ও সারিপুত্র ভান্তের বিদায় মুহুর্ত

সারিপুত্র ভান্তে ছিলেন বুদ্ধের অগ্রশ্রাবক, ধর্মসেনাপতি, অনুবুদ্ধ, জ্ঞানে-প্রজ্ঞায় বুদ্ধের পরেই তাঁর স্থান তিনি দিব্য জ্ঞানে জানতে পারলেন তাঁর পরমায়ু আর মাত্র৷ সাতদিন। অতপর সারিপুত্র ভান্তে তাঁর পাঁচশত শিষ্যসহ তথাগতের কাছে গিয়ে বন্দনা নিবেদন করে পরিনির্বাপিত হওয়ার জন্যঅনুমতি চাইলেন। বুদ্ধগণ পরিনির্বাপিত হতেও বলেন না আবার না হতেও বলেন না। আর তাই জিজ্ঞেস করলেন কোথায় পরিনির্বাপিত হবেন? সারিপুত্র ভান্তেকে
বললেন তোমার যথা অভিরুচি করতে পারো।

তোমার জৈষ্ঠ্য ও কনিষ্ঠ ভ্রাতারা তোমার মতো ভিক্ষু দর্শনে
বঞ্চিত হবে। তোমার মতো অনুবুদ্ধ, জ্ঞানী ভিক্ষুর সান্নিধ্য লাভে বঞ্চিত হবে। তাদের ধর্মদেশনা প্রদান করতে বললেন
বুদ্ধ। বুদ্ধের ইচ্ছা বুঝতে পেরে ঋদ্ধিপ্রদর্শন পূর্বক সারিপুত্র ভিক্ষুগণের উদ্দেশে দেশনা প্রদান করেন। দেশনার শেষে
বুদ্ধকে বন্দনা নিবেদন করে দু’হাত জোড় করে বললেন,

প্রভু ভগবান এখন আমার গমনের সময়। মহাকারুণিক বুদ্ধ ধর্মসেনাপতিকে বিদায় দেওয়ার জন্য ধর্মাসন ত্যাগ করে মণি-ফলকে দাঁড়ালেন। সারিপুত্র ভান্তে প্রশান্ত চিত্তে বলে উঠলেন, ভান্তে, ভগবান,লক্ষাধিক অসংখ্যকল্প আগে একদা
অনোমদর্শী সম্যকসম্বুদ্ধের পাদমূলে নিপতিত হয়ে আপনার দুর্লভ-দর্শন লাভ প্রার্থনা করেছিলাম। আপনার শাসনে
অগ্রশ্রাবক, অনুবুদ্ধ হয়ার প্রার্থনা করেছিলাম। সেই থেকে জন্ম-জন্মান্তর অগ্রশ্রাবক পারমী পূরণ করে এসেছি।
বিভিন্ন যোনিতে জন্ম নিয়ে আপনার চরণ তলে সেবা করার দুর্লভ সুযোগ পেয়েছি।অন্তিম জন্মে আপনার শ্রীপাদ দর্শন
পেয়েছি। আপনার সুশীতল ছায়ায় ইচ্ছিত প্রার্থনা পূর্ণ হয়েছে। আপনার স্বর্ধমের শাসনে অগ্রজ পদ লাভ করে নিজের জীবনকে ধন্য করেছি।

আপনার মহাকরুণায় সর্বদুঃখের অন্তসাধান করেছি। এ জন্মে কায়িক, বানসিক ও মানসিক অপরাধ করে থাকলে হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুণ। এ আমার শেষ দর্শন, এ আমার অন্তিম বন্দনা, এ আমার অন্তিম যাত্রা। এ বিদায় চিরদিনের, চিরকালের।

আর কোনদিন, কোনসময় দেখা হবে না আর। এ করুণ
বিদায়ের মুহুূর্তে বুদ্ধ ও অরহত ব্যতিত উপস্থিত ভিক্ষু ও পূজারিরা সবাই কাঁদছেন, স্বর্গের দেবতা ও ব্রক্ষলোকের ব্রক্ষারা ও অশ্রু সংবরণ করতে পারছেন না। ফুলহীন
বৃক্ষে ফুল ফুটে সারিপুত্র ভান্তেকে অন্তিম শ্রদ্ধা, গৌরব, পূজা প্রদর্শনপূর্বক পুষ্পাঞ্জলি জানাচ্ছে। দেবলোকের দেবতারাও স্বর্গের সুগন্ধ পুষ্প ছিটিয়ে ভান্তেকে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন করছেন। অহো! কি হৃদয় বিদারক দৃশ্য। অতঃপর
বুদ্ধের দিকে সম্মুখ ভাগ রেখে যতদূর বুদ্ধকে দেখা যায় ততদূর পেছন দিকে হেঁটে গেলেন একদম শেষ অবস্থানে গিয়ে সর্বাঙ্গ লুটিয়ে আবারো বুদ্ধকে বন্দনা করলেন। প্রভু বিদায়, বিদায়। অহো! কী করুণ দৃশ্য!

প্রিয়জন থেকে চিরকালের এ বিদায়ের সন্ধিক্ষণে মহাপৃথিবীও স্থির, নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।বুদ্ধ অন্যান্য ভিক্ষুদের নির্দেশ দিলেন সারিপুত্র ভান্তেকে অনুসরণ করার জন্য। জেতবনের তোরণ পর্যন্ত যাওয়ার পর সারিপুত্র ভান্তে বললেন আমার প্রানপ্রিয় বন্ধুগণ তোমরা চলে যাও ‘অপ্রমত্ত’ হয়ে শীল, সমাধি, প্রজ্ঞা অনুশীলন, পালন করবে। হেঁটে যেতে যেতে সাতদিন পর তিনি স্বীয় জন্মস্থানে উপস্থিত হলেন। ৫০০ ভিক্ষুর রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে মাতা
অনেকটা বিরক্তই হলেন বলা যায়। যাই হোক, জাত প্রকোষ্ঠে প্রবেশের পর শিষ্যদেরকে তাদের আলাদা অবস্থানে পাঠিয়ে দিলেন।

এরপর সারিপুত্র ভান্তের রক্তামাশায় শুরু হল। ব্রাহ্মণী এসব দরজায় দাড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করে বলতে লাগলেন, আমার পুত্রের কাণ্ড আমার আদৌ পছন্দ হচ্ছে না। এমন সময় চার লোকপাল দেবতা আসলেন সারিপুত্র ভান্তেকে সেবা করার জন্য। সারিপুত্র ভান্তে তাদের জানিয়ে দিলেন তাঁর সেবক আছে। এরপর একে একে দেবরাজ ইন্দ্র, মহাব্রহ্মা আসলেন ঘর আলোকিত করে।

তাদেরকেও বিদায় করে দিলেন সারিপুত্র। এরা যখন আসছিল তথন তাদের দিব্য জ্যোতিতে ঘর আলোকিত হয়ে যাচ্ছিল আবার চলে যাওয়ার সময় সে জ্যোতি চলে যাচ্ছিল। মা এসব দেখে অসময়ে ছেলের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন এরা কারা এসেছিল? সারিপুত্র ভান্তে তাদের কথা বলাতে মা জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি চারি লোকপাল দেবতার চেয়েও শ্রেষ্ঠ? সারিপুত্র ভান্তে বললেন, তারা তো আমাদের বিহারের ছেলের মতন। তথাগত প্রতিসন্ধি গ্রহণের দিন থেকে খড়গ হাতে মহামায়াকে রক্ষা করছিলেন। তারপর সারিপুত্র ভান্তেকে বললেন তুমি কি ইন্দ্র থেকেও শ্রেষ্ঠ? সারিপুত্র বললেন সে তো আমাদের ভাণ্ডগ্রহণকারীর মতন। তথাগত ত্রয়ত্রিংশপুর থেকে অবতরণের সময় তাঁর পাত্র চীবর গ্রহণ করে পেছন পেছন আগমন করেছিলেন। ব্রাহ্মণী আবার জিজ্ঞেস করলেন তুমি কি মহাব্রহ্মার চেয়েও শ্রেষ্ঠ? তখন ভান্তে বললেন, তুমি যাকে স্রষ্টা মনে কর সেই মহাব্রহ্মাই সিদ্ধার্থের জাতক্ষণে মহাপুরুষকে সুবর্ণজালে প্রতিগ্রহণ করেছিলেন।

তখন ব্রাহ্মণী ভাবলেন আমার ছেলের এতগুণ না জানি তার গুরুর গুণ আরো কত বেশী এটা ভাবতেই মনে প্রীতি ভাব উৎপন্ন হলো। বুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা উৎপন্ন হলো। সারিপুত্র
ভান্তে ভাবলেন এই তো উপযুক্ত সময়।তিনি মাকে ধর্মদেশনা প্রদান শুরু করলেন, উপাসিকা, আমার শাস্তার জাতক্ষণে,
মহাঅভিনিষ্ক্রমণের সময়, সম্বোধি লাভের সময়, ধর্মচক্রপ্রবর্তনের সময় দশসহস্র লোকধাতু কম্পিত হয়েছিল।শীল, সমাধি,প্রজ্ঞা, বিমুক্তি ও বিমুক্তিজ্ঞান দর্শনে তাঁর সমান আর কেউ নাই। এই বলে ইতিপি সো ভগবা অরহং সম্মাসম্বুদ্ধো ইত্যাদি বলে বুদ্ধ গুণ বর্ণনা শুরু করলেন।পুত্রের ধর্ম উপদেশে মাতা স্রোতাপত্তি ফল লাভ করলেন।পুত্রকে বলিলেন উপতিষ্য, কেন এমন করলে? কেনো এই অমৃত এতদিন দাও নি আমায়? পুত্র বললেন, আমার জননী রুপসারি ব্রাহ্মণী যে আমাকে দুগ্ধ পান করিয়েছিলেন, লালন পালন করেছিলেন আজ তার মূল্য প্রদান করা হল।

সাধারণত মায়ের ঋণ কেউ পরিশোধ করতে পারে না। কিন্তু কেউ যদি মিথ্যাদৃষ্টি সম্পন্ন মাতাকে সম্যক দৃষ্টি সম্পন্ন করতে পারে তবে তার দ্বারা মাতৃঋণ শোধ হয়। সারিপুত্র আজকের দিনে স্বীয় জননীর ঋণশোধ করেছিলেন। অতঃপর সারিপুত্র ভান্তে শিষ্যদের বললেন, ৪৪ বছর ব্যাপী আমার সাথে বিচরণ করে আমার কায়িক বাচনিক কর্মের মধ্যে যা কিছু অপ্রীতিকর হয়েছে তার জন্য আমাকে ক্ষমা কর। তা শুনে অপরাপর ভান্তেরা সারিপুত্র ভান্তের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন। এরপর সারিপুত্র ভান্তে সেখানে পরিনির্বাপিত হলেন।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৭৭,৭২০
সুস্থ
১,৫৪২,৬০০
মৃত্যু
২৮,০০৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২৭৭
সুস্থ
৩২৬
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD