1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি : এম ধর্মবোধি স্থবির

প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
রাউজান থানাস্থ ডাবুয়া বেনুবন বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পান্ন টেম্পোর ধাক্কায় মোটরগাড়ীসহ মারাত্মকভাবে আহত হলেন বিশিষ্ট ভাস্কর্যশিল্পী লায়ন ইন্দ্রসেন বড়ুয়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ৯৪তম বোর্ড সভা অনুষ্টিত সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ গঠন বুদ্ধ’ বই : নট ফর সেল ক্লাবকে দেওয়া হয়েছে লিগ্যাল নোটিশ বুদ্ধ ও সারিপুত্র ভান্তের বিদায় মুহুর্ত উখিয়ার প্রথম পিএইচডি ডিগ্রিধারী নারী ড. মাধবী বড়ুয়া (পুতু) Not for Sale Club কর্তৃক প্রকাশিত বুদ্ধ বই এর প্রকাশক ও সংগঠন, সংশ্লিষ্ট জনদের দুঃখপ্রকাশ থের গাথার আলোকে উপালি জীবন চরিত সম্পর্কে আলোচনা করছি হংকং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দীপেন বড়ুয়ার পিএইচডি ডিগ্রি লাভ ও লেকচারার পদে যোগদান

ভিক্ষু সঙ্ঘের আসন অত্যুচ্চ – ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু

  • আপডেটের সময়ঃ বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ১০২ বার পঠিত

ভিক্ষু সঙ্ঘের আসন অত্যুচ্চ – ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু

বৌদ্ধদের আরাধ্য, পূজ্য, বন্দনীয় ও নমস্য হল তিন রত্ন বা ত্রিরত্ন ( Noble Triple Gem)। তিন রত্ন হল বুদ্ধ, ধর্ম এবং সঙ্ঘ। এখানে সঙ্ঘ মানে ভগবানের শ্রাবকসঙ্ঘ (এসা ভগবতো সাবকসঙ্ঘো)। অর্থাৎ সঙ্ঘ বা ভিক্ষু-ভিক্ষুণীরা হলেন বুদ্ধের সমতুল্য মান-মর্যাদা সম্পন্ন।

ভগবান তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ ভিক্ষুদের সম্পর্কে গৃহস্থদেরকে উপদেশ দিতে গিয়ে ‘মহামঙ্গল সুত্রে’ বলেছেন যে-

‘ সমণানং চ দস্সনং, এতং মঙ্গল মুত্তমং।’

অর্থাৎ শ্রমণদের অর্থাৎ ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরকে দর্শন করাও হল শ্রদ্ধাবান-শ্রদ্ধাবতী গৃহস্থদের জন্য উত্তম মঙ্গলদায়ক।

ভিক্ষু-ভিক্ষুণীসঙ্ঘ গৃহস্থদের জন্য হলেন সবচেয়ে বড়, সর্বোৎকৃষ্ট, সর্বোত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ পুণ্যক্ষেত্র। তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ সঙ্ঘের গুণ বর্ণনায় এরকমই বলেছেন-

‘অনুত্তরং পুঞ্ঞক্খেত্তং লোকস্সা’তি।’

এখানে ‘অনুত্তরং’ মানে হল সর্বোচ্চ, সর্বোৎকৃষ্ট, সর্বোত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ।

‘পুঞ্ঞক্খেত্তং’ মানে হল পুণ্যক্ষেত্র।

‘লোকস্সা’তি’ অর্থ হল সম্পূর্ণ একত্রিশ লোক ভূমিতে অর্থাৎ সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডে।

এখানে ‘ব্রহ্মাণ্ড’ বলতে নরক হতে নিয়ে উর্ধে ভবাগ্র অর্থাৎ কামলোক, রূপ ব্রহ্মলোক এবং অরূপ ব্রহ্মলোক মিলে একত্রিশ লোকভূমিতে ( সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডে) তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধের সাবক বা শ্রাবক সঙ্ঘ অর্থাৎ ভিক্ষু-ভিক্ষুণী সঙ্ঘই হলেন সর্বোচ্চ, সর্বোৎকৃষ্ট, সর্বোত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ পুণ্যক্ষেত্র। তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধ এরকমই বলেছেন। (সঙ্ঘগুণ বর্ণনা এবং মধ্যম নিকায়ের ‘দক্ষিণা বিভঙ্গ সুত্র বর্ণনা দ্রষ্টব্য)।

খুদ্দক পাঠের ‘রতন সুত্র’ বর্ণনায় বলা হয়েছে-

‘তে দক্খিন্ণেয্যা সুগতস্স সাবকা,
এতেসু দিন্নানি মহপ্ফলানি।’

অর্থাৎ এদেরকে বা তথাগত ভগবান সম্যক সম্বুদ্ধের ভিক্ষু-ভিক্ষুণী সঙ্ঘকে প্রদত্ত দান, তাঁদেরকে কৃত সেবা মহাফল দায়ক হয়ে থাকে।

ধর্মপদের সহস্র বর্গের গাথা সংখ্যা সাত, আট এবং নয়ে বলা হয়েছে যে-‘ ধর্ম মার্গে অর্থাৎ আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে আসে নাই এমন অনেক অনেক অগণিত-অসংখ্য সাধারণ লোকদেরকে সমগ্র জীবনভর বা একশত বছর পর্যন্ত পূজা, সেবা, সৎকার, অনেক প্রকারের বস্তু সামগ্রী দান করলে এবং তাদেরকে দক্ষিণা প্রদান করলে যে পুণ্য হয়ে থাকে, তার চেয়ে অনেক অনেকগুণ অধিক পুণ্য বেশী হয়ে থাকে ধর্ম মার্গে অর্থাৎ আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে অগ্রসর ভিক্ষু-ভিক্ষুণী সঙ্ঘকে কেবল এক ক্ষণ কালের জন্যও যদি কেহ শ্রদ্ধাযুক্ত চিত্তে বন্দনা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে থাকে।

অঙ্গুত্তর নিকায়ের ‘বেলাম সুত্রে’ যে সকল ভিক্ষু-ভিক্ষুণীগণ আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে আরূঢ় হয়ে নির্বাণের দিকে অগ্রসরমান রয়েছেন, সে সকল ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদের সম্পর্কে গৃহস্থদেরকে উপদেশ দিতে গিয়ে তথাগত বুদ্ধ বলেছেন যে-

‘ ধর্মের মার্গে অর্থাৎ আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গে আসে নাই এরকম লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি সাধারণ মনুষ্যদেরকে ভোজন, বস্ত্র এবং অন্যান্য অনেক প্রকার প্রয়োজনীয় বস্তু সামগ্রী দান দিয়ে যে পুণ্য সঞ্চিত হয়, তার চেয়েও অধিকগুণ পুণ্য সঞ্চয় হয়ে থাকে ‘সম্যক দৃষ্টি সম্পন্ন অর্থাৎ স্রোতাপন্ন অবস্থা লাভী কোন একজন ভিক্ষু বা ভিক্ষুণীকে একবেলা ভোজন দান করলে।

হাজার কোটি ( ১০,০০,০০,০০,০০০) ‘সম্যক দৃষ্টি সম্পন্ন (স্রোতাপন্ন) ভিক্ষু-ভিক্ষুণীকে ভোজন দান করলে যে পুণ্য হয়ে থাকে, তার চেয়েও অধিক অধিকগুণ পুণ্য হয়ে থাকে কোন একজন সম্যক সম্বুদ্ধকে একবেলা ভোজন দান করলে।’

সম্যক সম্বুদ্ধকে একবেলা ভোজন দান করলে যে পুণ্য সঞ্চয় হয়ে থাকে, তার চেয়েও অনেকগুণ বেশী পুণ্য হয়ে থাকে ‘বুদ্ধ প্রমুখ ভিক্ষু-ভিক্ষুণী সঙ্ঘ’কে দান করলে।

তথাগত ভগবান সম্যক সম্বুদ্ধ উদাত্ত কণ্ঠে আরও বলেছেন যে-

যারা আমাকে সেবা করতে চায়, তাদের উচিত রোগী ভিক্ষু-ভিক্ষুণীর সেবা করা।

সেজন্য ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদের প্রতি গৃহস্থদের শ্রদ্ধা কোন কারণেও কখনও কম হওয়া উচিত নয়। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধার মাত্রা অবশ্যই বাড়াতে হবে, কম করা কখনও উচিত নয়। ভিক্ষু -ভিক্ষুণীদের প্রতি দুর্বব্যহার করা, তাঁদের সমকক্ষ হয়ে বসা, তাঁদেরকে অশ্রদ্ধা ও অগৌরব করার অর্থ হল বুদ্ধবাক্যকেই অবজ্ঞা ও অশ্রদ্ধা করা। এমনকি বুদ্ধ বিদ্বেষী দেবদত্তও সঙ্ঘের প্রতি কখনও তেমন অগৌরব-অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করার দৃষ্টতা দেখাতে সাহস করেননি।

এজন্য শ্রদ্ধা সম্পন্ন গৃহস্থদের উচিত সঙ্ঘকে যথোচিত সম্মান করা, শ্রদ্ধা করা, সৎকার করা, মর্যাদা দেওয়া ও গৌরব প্রদর্শন করা এবং রুগ্ন ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরকে বিশেষরূপে সেবা-যত্ন করা। রুগ্ন ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরকে নিজের সাথে হাসপাতালে কিংবা ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মতে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা উচিত। যেভাবে নিজেদের পিতা-মাতা কিংবা সন্তান- সন্ততিদেরকে সর্ব প্রকার অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান এবং ঔষধ পথ্যাদি প্রদানের ব্যবস্থা করে যত্ন করা হয়, অনুরূপভাবে, রুগ্ন ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরকেও বিশেষরূপে ভোজন, বাসস্থান ও ঔষধ-পথ্যাদি দ্বারা যথাসম্ভব সেবা করা গৃহস্থদের কর্তব্য এবং তাতে তাঁরা অসীম পুণ্যের ভাগী হন।

ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরকে অবজ্ঞা করলে, অশ্রদ্ধা করলে এবং যথোচিত গৌরব প্রদর্শন না করলে গৃহস্থদের অপুণ্য ও অমঙ্গল হয়ে থাকে। তাদের জীবনে পরিহানী হয়ে থাকে। যা লিচ্ছবিদেরকে উপদেশ দিতে গিয়ে ভগবান বুদ্ধ ব্যক্ত করেছিলেন ‘সপ্ত অপরিহানীয় ধর্মে।’ (দীর্ঘ নিকায়ের মহাপরিনির্বাণ সুত্র দ্রষ্টব্য)।

ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদেরও স্মরণ রাখা উচিত যে, তাঁরা দেব-নরের পূজ্য। তাঁদের শীল সৌরভের কাছে রাজা-মহারাজা-সম্রাটও অবনত মস্তক হয়ে থাকেন। এমনকি দেব-ব্রহ্মাগণ পর্যন্তও নত মস্তক হয়ে থাকেন। এমন মর্যাদা, শ্রদ্ধা, সম্মান ও গৌরবের আসনে ভগবান বুদ্ধ তাঁর সঙ্ঘকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছেন। যেখানে সে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদার পরিহানী হয়, সে স্থানে যাওয়া বা সেখানে অবস্থান করা ভিক্ষু-ভিক্ষুণীদের অনুচিত। সে সমস্ত স্থান বর্জনের জন্য ভগবানের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। ( অঙ্গুত্তর নিকায়ের সপ্তম নিপাত, অনুশয় বর্গ দ্রষ্টব্য)।

যে সকল ব্যক্তি সে মর্যাদা, সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেননা, তাঁদের কাছে যাওয়া উচিত নয়। কাজেই প্রত্যকের দায়িত্ব-কর্তব্য সচেতন হওয়া বাঞ্ছনীয়। মনে রাখতে হবে যে, লাভ-সৎকারের জন্য বুদ্ধ শিষ্য নয়। বুদ্ধ সাবক মানে সিংহ সাবক। পার্থিব অর্থাৎ জাগতিক স্বার্থের জন্য কারো সাথে আপোষ করতে নেই।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৬৬,৯০৭
সুস্থ
১,৫৩০,০৮৩
মৃত্যু
২৭,৮০১
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD