1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি : এম ধর্মবোধি স্থবির

মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |
তৈরি করেছেন - মুন্না বড়ুয়া
প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
বিদর্শানাচার্য পন্ডিত প্রজ্ঞালোক মহাথেরো মহাপ্রয়াণ এস এম সংঘরত্ন মহাথের মহোদয় প্রয়াণ হয়েছেন সমথ এবং বিদর্শন ভাবনা কি মহামান্য সংঘরাজ শ্রদ্ধেয় জ্ঞানশ্রী মহাথেরো ভান্তের অপারেশন হয়েছে আজ সীবলী ফাউন্ডশনের নতুন কার্যকরী কমিঠি ২০২১ – ২০২২ গঠন হয়েছে আমেরিকান সেনাবাহিনীর চাকুরী ছেড়ে ভিক্ষুত্ব জীবনগ্রহণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ড. সুকোমল বড়ুয়াকে পুনরায় সুপারনিউম্যারী প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন ড. অরুণজ্যোতি মহাথেরো মহোদয়ের গর্ভধারিণী মাতা অমিয়া বালা বড়ুয়া পরপাড়ে বিদর্শন সাধক ও প্রশিক্ষক আশিষ বড়ুয়া’র পরলোক গমন আমার দেখা আর শোনা মহাজীবনের কিছু গল্প : ভদন্ত প্রজ্ঞাবংশ মহাথেরো ভিক্ষু সঙ্ঘের আসন অত্যুচ্চ – ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু জীবন্ত অর্হৎ, মার বিজয়ী পূজ্য উপগুপ্ত স্হবির’র সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত বৌদ্ধরা কেন সকল প্রাণীর উদ্দেশ্যে পুণ্য বিতরণ করেন কখন থেকে এটি শুরু হয়েছিল

বর্ষাবাসের ঐতিহাসিক প্রারম্ভ

  • আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ১২৫ বার পঠিত

বর্ষাবাসের ঐতিহাসিক প্রারম্ভ

লিখছেনঃ- ড. বরসম্বোধি মহাথেরো, বুদ্ধগয়া, বিহার প্রদেশ, ভারত।

সঙ্ঘের জন্য বর্ষাবাস করার যে নিয়ম তৈরী করা হয়েছে, তা বর্তমানে কিংবা কিছু বছর পূর্বের কোন নিয়ম নয়।

বর্ষাবাসের নিয়ম আজ হতে ২৬০০ বছর পূর্বে স্বয়ং তথাগত ভগবান বুদ্ধ সঙ্ঘকে কেন্দ্র করে এ নিয়ম প্রচলন করেছেন।

বর্ষাবাসের প্রারম্ভ কিভাবে হয়েছে এবং কেন হয়েছে, এ সম্পর্কে বিনয় পিটকের অন্তর্গত ‘মহাবর্গ’ গ্রন্থে সবিস্তার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখান হতে মহত্বপূর্ণ অংশ এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমান নেপালের লুম্বিনীতে জন্ম হওয়া বোধিসত্ব সিদ্ধার্থ ছিলেন কপিলবাস্তুর রাজকুমার। তিনি বুদ্ধগয়ায় বোধিবৃক্ষের নীচে ধ্যান করে বুদ্ধত্ব লাভ করেছিলেন। তখন হতে তিনি সম্যক সম্বুদ্ধ নামে পরিচিত হন।

সম্যক সম্বুদ্ধ হওয়ার পর তিনি ‘বহুজন হিতায, বহুজন সুখায’ অর্থাৎ বহুজনের হিতের জন্য এবং বহুজনের সুখের জন্য লোকদের মধ্যে ধর্মজ্ঞান বিতরণের উদ্দেশ্যে ঋষিপতন মৃগবন অর্থাৎ সারনাথে আসলেন, যেখানে তাঁর পূর্ব সাথী পঞ্চবর্গীয় ঋষিগণ বিরাজমান ছিলেন।

তথাগত বুদ্ধ এ পাঁচ ভদ্রবর্গীয়দেরকে ধর্মচক্র প্রবর্তন সুত্রের উপদেশ দিয়েছিলেন, যা ছিল ভগবান বুদ্ধের প্রথম উপদেশ।

তথাগত বুদ্ধের উপদেশ শুনে ক্রমশ: কৌণ্ডণ্য, বপ্প, মহানাম, ভদ্রিয় এবং অশ্বজিত নামে এ পাঁচ ভিক্ষুগণ ধর্মচক্ষু লাভ করেছিলেন, অর্থাৎ মার্গফল লাভ করলেন এবং তাঁরা তথাগতের শিষ্যরূপে পরিগণিত হলেন। অত:পর তাঁদের সবাই সম্পূর্ণ দু:খ মুক্ত হয়ে অরহত্ব ফলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন।

এরপর বারাণসী নগরের ধনাঢ্য পরিবারের একমাত্র কুলপুত্র যশ তথাগত বুদ্ধের নিকট পৌঁছলেন। তিনিও তথাগতের ধর্মোপদেশ শুনে দু:খ মুক্তির অবস্থা অরহত্ব ফল লাভ করলেন এবং ভিক্ষু হয়ে বুদ্ধের শিষ্য হয়েছিলেন।

যশের মত ধনাঢ্য পরিবারের একমাত্র কুলপুত্র ভিক্ষু হয়ে বুদ্ধের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন ইহা শুনে তাঁর চার মিত্রও তথাগত বুদ্ধের নিকট এসে ভিক্ষু হয়েছেন এবং অরহত হয়েছিলেন।

এরপরও যশের সম্পর্কে শুনে তাঁর ৫৪ জন মিত্রগণও বুদ্ধের নিকট এসে ভিক্ষু হয়েছিলেন এবং দু:খ হতে মুক্ত হয়ে অরহত্ব অবস্থায় উন্নীত হয়েছিলেন।

এভাবে সংসারে তথাগত বুদ্ধের পরেও ৬০ জন অরহত হয়েছিলেন। তথাগত বুদ্ধ সে সকল অরহত ভিক্ষুদেরকে একত্রিত করলেন এবং তাঁদেরকে বহুজনের হিত, সুখ ও কল্যাণের জন্য আদেশ দিলেন-

‘চরথ ভিক্খবে চারিকং বহুজন হিতায, বহুজন সুখায ………।’

অর্থাৎ হে ভিক্ষুগণ! বহুজন হিতের জন্য এবং বহুজনের সুখের জন্য তোমরা দু’জন ভিক্ষু এক রাস্তায় না গিয়ে গ্রাম, নিগম, নগর এবং দেশ-দেশান্তরে পরিভ্রমণ করো এবং আদি, মধ্য এবং অন্ত পর্যন্ত কল্যাণকারী এ ধর্ম প্রচার রত হও।’

তথাগত বুদ্ধের এ নির্দেশ পেয়ে সকল অরহত ভিক্ষুগণ চারিদিকে সদ্ধর্মকে প্রচার-প্রসার করার জন্য বেরিয়ে পড়লেন।

দূর দূর পর্যম্ত তথাগত বুদ্ধের দু:খ বিমুক্তির ধর্ম প্রচার করার সময় সকল ভিক্ষুগণ কখনও কোন এক স্থানে বসে থাকেননি।

যেখানে যে সমস্ত সুবিধা উপলব্দ হয়েছে, সেখানে সে সুবিধা উপভোগের জন্য গেড়ে না বসে সেগুলিকে ত্যাগ করে এ ভিক্ষুগণ ধর্ম প্রচারের জন্য এক স্থান হতে অন্য স্থানে অবিরাম ভ্রমণ রত ছিলেন এবং সর্ব সাধারণের হিত কল্যাণে লোকের মধ্যে ধর্ম বিতরণ করছিলেন।

ধর্ম প্রচার করার সময় যেখানে রাত হত, সেখানেই কোথাও রাত্রি যাপন করতেন। গ্রাম হোক, নগর হোক, উদ্যান হোক অথবা কোন জঙ্গল হোক কিংবা কোন বৃক্ষমূল হোক ভিক্ষুগণ সে সমস্ত স্থানে রাত্রে বিশ্রাম করতেন এবং রজনী অতিক্রম করতেন।

রাত্রি অতিক্রম করে যেখানে সূর্যোদয়ের মাধ্যমে দিনের শুরু হত, সেখানেই সে ভিক্ষুগণ লোক হিতের উদ্দেশ্য নিয়ে ধর্মের উপদেশ দিতে বের হতেন।

তথাগত বুদ্ধের আজ্ঞা পালন করতে গিয়ে প্রত্যেক ভিক্ষু বিভিন্ন দিকে বিভিন্ন স্থানে লোকদের কল্যাণের জন্য নিরন্তর পরিভ্রমণ বা চারিকা করতেন এবং ধর্ম দেশনা করতেন।

তথাগত বুদ্ধের সময়ে অধিকতর লোক কৃষিকাজেই নিয়োজিত থাকতেন।লোকেরা ক্ষেত-খামারে কাজ করে নিজের এবং পরিবারের ভরণ-পোষণ নির্বাহ করতেন।

এজন্যও বর্ষার সময় লোকেরা স্বীয় স্বীয় ক্ষেতে কাজ করতে বের হতেন। ক্ষেতের মধ্যেই সারাদিন কাটিয়ে দিতেন।

এরকম সময়েও ভিক্ষুগণ বহুজন হিতায় এবং বহুজন সুখায় উদ্দেশ্যে গ্রাম- নগরে পৌঁছতেন।

লোকেরা ব্যস্ত থাকার কারণে ভিক্ষুদের ধর্ম দেশনা উত্তম ও উপযোগী হলেও তা শুনার জন্য লোক পাওয়া যেতনা এবং গৃহাদিতে লোক না থাকার কারণে ভিক্ষুদেরকে সে সময় পিণ্ডদান করে ভোজনের ব্যবস্থা করতেও কেহ থাকতেননা।

ভোজন বিহীন কঠিন সমস্যার মধ্যেও ভিক্ষুগণ চারিকার জন্য পরিভ্রমণ করতেন। চারিকা করা হল ভিক্ষুদের অন্যতম এক কর্তব্য, যা ছিল বুদ্ধের আদেশ।

ভিক্ষুগণ বর্ষার সময় চারিকা করতে গিয়ে বৃষ্টির জলে ভালভাবেই ভিজে যেতেন।

বর্ষার জলে সিক্ত হওয়ার কারণেও অনেক ভিক্ষু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সেসময় তাঁদের অনেক কঠিন অবস্থার মোকাবিলা করতে হত।

ভারী বর্ষার কারণে অনেক গ্রামের কাঁচা রাস্তাও কর্দমাক্ত হয়ে যেত এবং ভেঙ্গে যেত। অনেক রাস্তার উপরিভাগ পিছলা হয়ে যেত। কোথাও রাস্তা নষ্ট হয়ে গেলে সেখানে ভিক্ষুগণ ক্ষেতের উপর দিয়ে চলে যেতেন। সে কারণে অনেক সময় ক্ষেতের ফসলও নষ্ট হত।

লোকদের হিত ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে চারিকা রত ভিক্ষুগণ নিজেরাই মুস্কিল এবং অসুবিধার মধ্যে দিন যাপন করতেন।

ভিক্ষুদের এ সমস্ত দুর্দশাপূর্ণ অবস্থা দেখে লোকেরা এখন এরকম বলতে শুরু করে দিলেন-

‘ কি রকম এ শাক্যপুত্রীয় শ্রমণগণ! তাঁরা ঘাঁসও পায়ে মর্দন করেন, এক ইন্দ্রিয় সম্পন্ন জীব ( উদ্ভিদ-বনস্পতি) সমূহকে পায়ের নীচে দাবিয়ে দিয়ে থাকেন, অনেক প্রকারের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীদেরকে পায়ে পিষলে মেরে হেমন্ত, গ্রীস্ম ও বর্ষায়ও যত্রতত্র চারিকা করতে থাকেন। অন্য মতের অর্থাৎ মহাবীরের জৈন মতের মত ভাল নিয়ম-নীতির ব্যাখ্যা তাঁদের কাছে নেই। সেজন্য বর্ষাকালেও এরা চারিদিকে ভ্রমণ করতে থাকেন। জৈন সন্তগণ এক স্থানেই বর্ষার সময় লীন হয়ে থাকেন, এক স্থানেই তাঁরা বর্ষা ব্যয় করেন। পাখিরাও বর্ষার সময় বাসা বানিয়ে এক স্থানে বসে থাকে। কিন্তু এ শাক্যপুত্রীয় শ্রমণগণ দেখ! তাঁরা ঘাসকেও মর্দন করে থাকেন, এক ইন্দ্রিয় সম্পন্ন জীবদের ( বৃক্ষ- উদ্ভিদ ও বনস্পতি) পায়ে দাবিয়ে দেন, অনেক প্রকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রাণীদের পায়ের নীচে দাবিয়ে মেরে তাঁরা গ্রীস্ম, বর্ষা ও হেমন্ত ঋতুতেও বিচরণ করে থাকেন।’

লোকদের করা এ সমস্ত অপবাদ ভিক্ষুরা নিজেদের কানেও শুনেছেন। তখন ভিক্ষুরা সে সমস্ত কথা বুদ্ধকে গিয়ে শুনিয়েছিলেন।

সে সময় তথাগত ভগবান বুদ্ধ মগধের রাজধানী রাজগৃহ নগরের বেণুবন বিহারে অবস্থান করছিলেন। এ বিহার হল বুদ্ধ শাসনে বুদ্ধকে দান করা প্রথম বিহার। মগধের রাজা বিম্বিসার স্বয়ং এ বিহার বুদ্ধ প্রমুখ সঙ্ঘকে দান করেছিলেন।

ধর্ম প্রচার করতে গিয়ে চারিকার সময় সম্মুখীন হওয়া ভিক্ষুদের এ সমস্ত দুর্দশা, অসুবিধা ও কঠিন পরিস্থিতি সমূহ এবং লোকদের কাছ হতে উপরোক্ত নিন্দা- সমালোচনা ভিক্ষুদের মুখ হতে তথাগত বুদ্ধ সমস্ত কিছু জ্ঞাত হলেন। অত:পর তিনি বর্ষাবাসের নিয়ম তৈরী করলে সঙ্ঘের যে অনেক প্রকার উপকার হবে, তার মহত্বও তিনি উপলব্দি করলেন।

তথাগত বুদ্ধ সমস্ত বিষয় বিবেচনা করতে গিয়ে অন্তত: সঙ্ঘের জন্য বর্ষাবাসের নিয়ম তৈরী করলেন। মহাবর্গ (পালি) গ্রন্থে বুদ্ধ এভাবে অনুজ্ঞা করলেন-

‘ অনুজানামি, ভিক্খবে, বস্সং উপগন্তু।’

অর্থাৎ ভিক্ষুগণ! বর্ষাবাস করার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করছি।

বর্ষাবাসের সময়
—————

তথাগত বুদ্ধ সঙ্ঘের জন্য বর্ষাবাস করার বিনয়ের নিয়ম করে দিয়েছেন। এর পরে পরেই সেখানে উপস্থিত ভিক্ষুগণ তথাগত বুদ্ধের কাছ হতে জিজ্ঞাসা করলেন-

‘ভন্তে! আমাদের কখন বর্ষাবাস করতে হবে?’

তখন বুদ্ধ তার নির্দেশনা দিতে গিয়ে বলেছেন-‘ বর্ষাঋতুতে বর্ষাবাস করার জন্য অনুমতি প্রদান করছি।’

এরপর ভিক্ষুগণ আবার তথাগতের নিকট জিজ্ঞাসা করলেন-

‘ ভন্তে! বস্সুপনায়িকা (অর্থাৎ যে তিথি হতে বর্ষাকে নিয়ে আসে) কি?’

তথাগত বুদ্ধ বর্ষোপনায়িকা বিষয়ে বুঝাতে গিয়ে বলেছেন-

ভিক্ষুগণ! প্রথম এবং দ্বিতীয় এ দু’ প্রকারের বর্ষেপনায়িকা (বর্ষাবাস) হয়। প্রথম বর্ষাবাস আষাঢ়ী পূর্ণিমার দ্বিতীয় দিন হতে প্রারম্ভ করা উচিত এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমার এক মাস পর শ্রাবণী পূর্ণিমার পরের দিন দ্বিতীয় বর্ষাবাস প্রারম্ভ করা উচিত। এ দু’ প্রকার বর্ষাবাস ভিক্ষুদের পালন করা কর্তব্য। ভিক্ষুগণ! এ দু’ প্রকার হল বর্ষোপনায়িকা।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৩৮,২০৩
সুস্থ
১,৪৯৪,০৯০
মৃত্যু
২৭,১০৯
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,৮৬২
সুস্থ
৩,৫৪৯
মৃত্যু
৫১
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD