1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : dharmobodi : এম ধর্মবোধি স্থবির

মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |
তৈরি করেছেন - মুন্না বড়ুয়া
প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
বিদর্শানাচার্য পন্ডিত প্রজ্ঞালোক মহাথেরো মহাপ্রয়াণ এস এম সংঘরত্ন মহাথের মহোদয় প্রয়াণ হয়েছেন সমথ এবং বিদর্শন ভাবনা কি বর্ষাবাসের ঐতিহাসিক প্রারম্ভ ভাষাতত্ত্ব ও লোকসংস্কৃতি গবেষক বাসবী বড়ুয়া আর নেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পালি এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠিত শেষ ১২ মিনিটের ৪ গোল দিলে ব্রাজিলের রোমাঞ্চকর জয় জাতক কাহিনী: গৌতম বুদ্ধের পূর্বজন্মের কাহিনী নিয়ে রচিত এক অসাধারণ সাহিত্যকর্ম জে ধর্মবোধি থেরো’র মমতাময়ী “মা” উপাসিকা মিনতি বড়ুয়া’র পরলোক গমন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির এখনো পরম মিত্র দিলীপ বড়ুয়া ডক্টর জিনবোধি মহাস্থবির ভান্তের শুভ জন্মদিন লিপি-ভাষা সম্পর্কিত ভ্রম প্রচার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন ও সংবর্ধনা

লিপি-ভাষা সম্পর্কিত ভ্রম প্রচার

  • আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১
  • ৭২ বার পঠিত

 

. বরসম্বোধি ভিক্ষু, বুদ্ধগয়া, বিহার প্রদেশ ভারতঃ – ভারতবর্ষে প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থ সমূহে এ কথা সাধারণভাবে দেখা যায় যে, যে কোন কিছুর উৎপত্তি অধিক প্রাচীন হোক বা অজ্ঞাত কালের হোক, সেগুলির নির্মাতারূপে খুব সহজভাবে ‘ব্রহ্মা’র নামকে যুক্ত করে দেওয়া হয়।

ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু, বুদ্ধগয়া, বিহার প্রদেশ ভারতঃ -

ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু, বুদ্ধগয়া, বিহার প্রদেশ ভারতঃ –

সংসারের অন্য পুরালিপি সমূহের সম্পর্কেও তাহাই দেখা যায় যে, প্রায় লিপির জনক কোন না কোন দৈবী পুরুষকে মানা হয়ে থাকে। অনুরূপভাবে ভারতবর্ষে ‘ব্রহ্মা’কে লিপির জন্মদাতা বলে মানা হয় এবং এজন্য ভারতবর্ষের প্রাচীন লিপির নাম ‘ব্রহ্মলিপি বা ব্রাহ্মীলিপি’ হয়েছে। তবে সত্য ইহাই যে, ব্রহ্মার সাথে এ লিপির কোন সম্বন্ধই নাই।

ব্রাহ্মী লিপিকে ধম্মলিপি বলা হয়। ইহাই হল সে লিপি, যার প্রয়োগ সম্রাট অসোক তাঁর শিলালেখনীতে করেছেন। সেখানে তিনি কোথাও ইহাকে ‘ব্রাহ্মীলিপি’ বলে উল্লেখ করেননি। উল্লেখ সেখানে কেবল ‘ধম্মলিপি’ই ছিল। এ ধম্মলিপির ভাষাকে প্রাকৃত বা পালিভাষা বলা হয়। এ লিপিকে ব্রহ্মার সাথে যুক্তকারী অধিকতর ভাষা বৈজ্ঞানিক ব্রাহ্মণই ছিলেন। তাঁরা বৌদ্ধদের যাবতীয় ইতিহাসকে প্রলেপ লাগানোর ষড়যন্ত্র কেবল আজকে নয়, তা শত শত বছর ধরে চলে আসছে।

এ পালি-প্রাকৃত ভাষায় ব্যবহৃত ধম্ম লিপি পরবর্তী সময়ে এসে দু’ প্রকার শৈলীতে বিকশিত হয়েছে। একটি হল উত্তরী শৈলী এবং অপরটি হল দক্ষিণী শৈলী। উত্তরী শৈলীর তাৎপর্য হল ভারতের উত্তরাঞ্চল এবং দক্ষিণী শৈলীর তাৎপর্য হল ভারতের দক্ষিণাঞ্চল। উত্তরী শৈলী হতে গুপ্ত লিপি, নাগরী লিপি, কুটিলা লিপি, শারদা লিপি এবং বাংলা লিপির উদ্ভব হয়েছে। দক্ষিণ শেলীর অন্তর্গত পশ্চিমী লিপি ( ভারতের পশ্চিম ভাগ), মধ্যবর্তী ( মধ্যভারত) তেলেগু, উড়িয়া, কন্নড় এবং তামিল লিপির বিকাশ হয়েছে।

নাগরী শৈলী হতে হিন্দী, সংস্কৃত, বিহারী, মারাঠী, গুজরাতী, রাজস্থানী এবং পাঞ্জাবী ভাষা সমূহের অস্তিত্ব এসেছে। নাগরী শৈলী হল নগর সমূহে অবস্থানকারী ‘নাগজাতি’ সমূহের দ্বারা প্রযুক্ত হওয়া ভাষা। ব্রাহ্মণেরা সেখানেও নিজেদের গ্রন্থের মাধ্যমে ভ্রম প্রসারিত করেছে এবং বলেছে যে, কাশী দেবনগরে প্রচলিত হওয়ার কারণে ইহাকে ‘দেবনাগরী’ বলা হয়েছে।

আমরা সবাই জানি যে, বারাণসী বা বেনারস বা কাশী অনেক পূর্ব হতেই বৌদ্ধ স্থল ছিল এবং তথাগত ভগবান বুদ্ধ এখানে তাঁর প্রথম ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন। বারাণসীতে প্রসিদ্ধ যে বিশ্বনাথ মন্দির রয়েছে, এর নীচেও পাওয়া গিয়েছে বৌদ্ধ পুরাবশেষ। এ বারাণসী নগরে ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতি অনেক পরে এসেছে। দক্ষিণ ভারতের প্রখ্যাত লেখক পেরিয়ার রামস্বামীও কাশীর বর্ণনা করেছেন। তিনি দেবনাগরীকে কাশী হতে প্রচলিত তা যেমন অস্বীকার করেছেন, তেমনি অস্বীকার করেছেন ইহা যে ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির স্থান ছিল। এখানে বৌদ্ধ সংস্কৃতিই ছিল প্রাচীন। কেবল তা নয়, ব্রাহ্মণ্য গ্রন্থ সমূহে দেখতে পাবেন যে, গুজরাতের নাগর ব্রাহ্মণের নামানুসারে এ দেবনাগরী লিপির নাম হয়েছে বলেও প্রচার করেছে।

ব্রাহ্মণ্য গ্রন্থ সমূহে ভারতের অনুসূচিত জাতি, জনজাতি ও আদিবাসী নিম্নবর্গের ভাষার ইতিহাসকেই পরিবর্তনের খুবই চেষ্টা করা হয়েছে এবং নাগরী লিপিতে সংশোধনের প্রয়াস করা হলে তা সংশোধন করা যায়নি। যে প্রয়াস তাঁরা করেছিলেন, তাতে এ লিপিকে এতই বিকৃত করা হয়েছে যে, লোকেরা বলতে লাগল -‘ ভারতের আর্যরা এ লিপির জন্ম দিয়েছে। সেরকম উদাহরণ দেখুন, যাঁরা ব্যক্তিগত প্রয়াস করেছিলেন-লোকমান্য তিলক, সাবরকর বন্ধু, শ্রী নিবাস দাস, ড. গোরক্ষ প্রসাদ, কাকা কালেকর, ড. সুনীতি কুমার চ্যাটার্জি প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। ১৯০৪ হতে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত তিলক স্বীয় পত্রিকা ‘ কেশরী’ দ্বারা এ দৃষ্টিকোণ হতে অনেক প্রয়াস করেছেন, যার পরিণাম স্বরূপ ১৯০ প্রকারের ‘তিলক টাইপ’ কপি প্রসিদ্ধ হয়েছে। অনুরূপভাবে সাবরকর বন্ধুও ‘অ’কে ভিত্তি করে ১২ প্রকার টাইপ তৈয়ার করেছিলেন, যেগুলি কাকা কালেকরও সমর্থন করেছেন। মহাত্মা গান্ধীজীও স্বীয় ‘ হরিজন ‘ পত্রিকায় এগুলি গ্রহণ করতে বলেছেন।

তবে সুসংবাদ ইহাই যে, এ পরামর্শ দেশের মানুষের সমর্থন পাওয়া যায়নি।কাশীর শ্রীনিবাস দাস অল্প ব্যঞ্জন ধ্বনি সমূহ যেমন ক, গ, চ, ট, ত, প এবং ব এর নীচে (ঋ) যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। যেমন-ক তে কৃ, গ তে গৃ ইত্যাদি। কিন্তু এরকম করলে নাগরী লিপিতে বিকৃতি আসার ভয় ছিল। এজন্য ইহাও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

ড. সুনীতি কুমার চ্যাটার্জি তো নাগরী লিপির স্থানে রোমান লিপির পরামর্শ দিয়েছিলেন।

এ সমস্ত তো ব্যক্তিগত প্রয়াসের দ্বারা নাগরী লিপিকে বিকৃত করার প্রয়াস এবং যখন এ প্রয়াস অসফল হয়েছে তখন সংস্থা সমূহের মাধ্যমে প্রয়াস করা হয়েছিল। যেমন হিন্দী সাহিত্য সম্মেলন, প্রয়াগ, নাগরী প্রচারিণী সভা, কাশী, রাষ্ট্রভাষা প্রচার সমিতি, বর্ধা। ১৯৩৫ সালে ইন্দৌরে হিন্দী সাহিত্য সম্মেলন এক সভার আহ্বান করেছিল, যার আহ্বায়ক ছিলেন কাকা কালেকর এবং মহাত্মা গান্ধীজী। এ সম্মেলনে ১৪ দফা পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তখন ইহার খুব বিরোধ হয়েছিল এবং স্বয়ং নাগরী প্রচারিণী সভা ও এমনকি স্বয়ং সাহিত্য সম্মেলনে উপস্থিত অনেক লোকের দ্বারাও খুব বিরোধ করা হয়েছিল। সরকারী প্রয়াসও করা হয়েছিল এবং নাগরী লিপি সংশোধন সমিতি ১৯৪১ সালে কিছু সংশোধনের সাথে গ্রহণ করা হয়েছে।

নাগরী লিপিতে দেশের মূল ইতিহাস লুকানো রয়েছে, যেখানে ভারতের মূল নিবাসীদের অস্তিত্বকে জীবিত রাখা হয়েছে।

নাগরী লিপি হতেই সংস্কৃত ভাষার উদয় হয়েছে। এবং এ নাগরী লিপি পালি ভাষা হতে এসেছে। ইহা বৌদ্ধ এবং নাগদের মিশ্রিত রক্তের ঐতিহ্য, যা বর্তমানের অনুসূচিত জাতি, জনজাতি ও নিম্নবর্গের লোক অজ্ঞাত রয়েছে। ভাষা ও লিপি হল গৌরবশালী ইতিহাসকে জানার সাধন। তাই যে কোন মূল্যে লিপি ও ভাষাকে বাঁচাতে হয়।

আপনারা হয়তো জানেন যে, তামিলনাড়ুর পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী এম. করুণানিধি হিন্দী ভাষাকে বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তিনি জানতেন যে, দ্রাবিড়দের ( SC, ST, OBC) ঐতিহ্যগত ভাষা হল দ্রাবিড় ভাষা এবং ইহাকে নষ্ট করে হিন্দিকে মান্যতা দেওয়া হলে ধীরে ধীরে তামিলনাড়ুর লোক তামিল এবং অন্য দ্রাবিড় ভাষা ভুলে যাবে। এ জাগরুকতা সাধারণ লোকদের কাছেও হওয়া উচিত। তা তখনই সম্ভব হবে যখন লোক নিজেদের হীনমন্যতা ত্যাগ করে লিপি, ভাষা, ইতিহাসকে জানার প্রয়াস করবে। এখন তো লোক অন্যদের ভাষা-সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে নিজেদের ভাষা-সংস্কৃতিকে বিসর্জন দিতে চলেছে। অন্য দেশী ভাষা বলতে পারাটাই যেন আভিজাত্যের পরিচয়।এভাবে করে ধীরে ধীরে ভাষা-সংস্কৃতি লোপ পায়।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,১৫৩,৩৪৪
সুস্থ
৯৮৮,৩৩৯
মৃত্যু
১৯,০৪৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD