1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি : এম ধর্মবোধি স্থবির

প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
লালমাইয়ে সম্পত্তি বিরোধের জেরে বৌদ্ধ পরিবারে হামলা; আহত ২ দ্বিতীয় সিঙ্গাপুর হবে ৬ প্রকল্পে চট্টগ্রাম। লিভার ক্যানসারের ৯ লক্ষণ সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো? এডভোকেট রিক্তা বড়ুয়া অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভদন্ত বোধিপ্রিয় ভিক্ষু দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর অকাল প্রয়াণ করেছেন মিথ্যাদৃষ্টি, ভ্রান্তধারনা ও তান্ত্রিকতায় প্রতারনা! বুদ্ধ দর্শন বিশ্বাস করে কি? ধর্মান্তর একটি অভিশাপ, প্রকৃত ধার্মীক কখনো ধর্মান্তর হন না আর্জেন্টিনা না পারলে ব্রাজিলকে সমর্থন দেবেন মেসিদের কোচ জিতলে নকআউট হারলে বিদায়, ড্র করলে সমীকরণ মেলাতে হবে মেসিদের দ্বিতীয় রাউন্ডে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা?

সারনাথে ড. ভীমরাও রামজী আম্বেদকর (বাবা সাহেবের) ভাষণ

  • আপডেটের সময়ঃ বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৮২৫ বার পঠিত

সারনাথে বাবা সাহেবের ভাষণ

. বরসম্বোধি ভিক্ষু

১৯৫৪ সালের ২৪ শে নভেম্বর বোধিসত্ব বাবা সাহেব ড. ভীমরাও রামজী আম্বেদকর দুপুর ১ টার সময় কাশী হতে সারনাথ এসেছিলেন। তিনি এসে সারনাথে অবস্থানরত ভিক্ষুদের সঙ্গে মিলিত হলেন। তাঁদের সাথে চর্চা করার সময় বাবা সাহেব মুখ্যরূপে ইহাই আলোচনা করেছিলেন যে, প্রত্যেক রবিবারের দিনে বৌদ্ধগণ নিয়মিতরূপে বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে ভিক্ষুদের কাছ হতে মার্গ দর্শন বা উপদেশ নেওয়া কর্তব্য। এ প্রকারে তাঁরা প্রত্যেক জায়গায় বুদ্ধ বিহার নির্মাণ করে সেখানে সভা আয়োজনের জন্য বিস্তৃত পরিসর বিশিষ্ট সভাগৃহ হতে হবে, একথাও বাবা সাহেব জোরের সাথে বলেছিলেন।

বাবা সাহেবের এ প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়ে উপস্থিত শ্রীলঙ্কা, বার্মা, তিব্বত, চীন, ভূটান, জাপান প্রভৃতি দেশের ভিক্ষুগণ উৎসাহ দিয়ে এবং তাঁরাও অর্থ সংগ্রহ করে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এ উপলক্ষে উপস্থিত জন সমূহকে এবং ভিক্ষু সংঘকে সম্বোধিত করতে গিয়ে বাবা সাহেব তাঁর ভাষণে বলেছিলেন-

‘ ভারতবর্ষের লোকদের বর্তমানে অনেক গম্ভীরতা সহকারে ভাবতে হবে। হিন্দু ধর্ম গ্রন্থে যেভাবে জীবন বর্ণনা করা হয়েছে, তা এবং আমার দ্বারা তৈরীকৃত সংবিধানে কি কোন সমানতা রয়েছে? যদি না থাকে, তাহলে তার কারণ কি থাকতে পারে। নিজের ধর্ম এবং সংবিধান এ উভয়ের মধ্যে যে কোন এক বিষয়কে আমাদের স্বীকার করতে হবে।

হয়তো ধর্মকে জীবিত রাখতে হবে, অথবা সংবিধানকেই জাগিয়ে রাখতে হবে। উভয় বিষয় এক স্থানে থাকতে পারেনা। হিন্দু ধর্মে অনেক মত রয়েছে। সেগুলির মধ্যে শঙ্করাচার্যের মতকে সবচেয়ে উত্তম মান্য করা হয়। কিন্তু বৌদ্ধধর্মের উচ্চ সিদ্ধান্তের সামনে তা অতীব তুচ্ছ এবং নিরর্থক প্রমাণিত হয়। নতুন নতুন বৌদ্ধদের আদি কর্তব্য হল যে, আপনাদের প্রত্যেক রবিবারের দিনে বৌদ্ধ বিহারে আসতে হবে। তা না হলে নব বৌদ্ধদের সাথে ধর্মের পরিচয় হবেনা।

এর জন্য স্থানে স্থানে বুদ্ধ বিহার প্রতিষ্ঠা করা অতীব আবশ্যক। বিহারে ধর্ম সভা করার জন্য স্থান থাকতে হবে। শ্রীলঙ্কা, বার্মা, তিব্বত, জাপান, চীন ইত্যাদি দেশ সমূহের ভিক্ষুগণ উৎসাহিত হয়ে অর্থ সংগ্রহ করে ভারতীয় বৌদ্ধদের সহায়তা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

আজ সকালে উত্তর প্রদেশের পূর্ব সভাপতি শ্রী দ্বারকা প্রসাদ আমার সাথে সাক্ষাত করেছেন। তাঁর ইচ্ছা আছে যে, আমি যেন ডিসেম্বর মাসে জৌনপুর আসি। আমি আসব বলে তাঁকে আশ্বাস দিয়েছি। কিন্তু কখন আসব এখনও তারিখ ঠিক হয়নি। জৌনপুরে বিশাল ধর্মদীক্ষা গ্রহণের কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে।

এ উপলক্ষে উত্তর প্রদেশের পূর্ণিয়া জিলায় লক্ষ লক্ষ সংখ্যায় দলিত সমাজের লোক ধর্মদীক্ষা গ্রহণ করবে। এখনও এসব পিছনে পড়ে থাকা সমাজ ( ওবিসি) এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা উচ্চ বর্ণ হিন্দুদের দ্বারা নির্যাতিত ও শোষণ হয়ে থাকে।

বৌদ্ধধর্ম দীক্ষা নিয়ে আবার স্বীয় পূর্বজদের মার্গে চলে যেতে হবে। বৌদ্ধধর্মের প্রারম্ভ শক্ত ভিত্তির উপর তৈরী হয়েছে। ইহা হল মানব ধর্ম। এ ধর্ম ছাড়া মানব কল্যাণে অন্য কোন উপযুক্ত ধর্ম পৃথিবীতে আর নাই। আমাদেরকে ভারতের প্রাচীন ইতিহাস জানতে হবে।

ভারতে সবচেয়ে প্রথমে আর্য এবং নাগ লোকদের মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়।আর্যদের নিকট যুদ্ধ করতে ঘোড়া ছিল। সেগুলির বলে তারা নাগলোকদের হারিয়েছে। সে নাগই হল আজ হিন্দু। নাগলেকেরাই সর্ব প্রথমে বৌদ্ধধর্মকে স্বীকার করেছিল। বৌদ্ধধর্ম প্রসারে তারা সফলতাও লাভ করেছিল। কিন্তু এ নাগদের বিনাশ করতে আর্যরা সময়ে সময়ে প্রচেষ্টা করেছিল। ইহার প্রমাণ মহাভারতে অনেক পাওয়া যায়।পরবর্তীতে আর্যরা ব্রাহ্মণ্য ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটিয়েছে। এ ধর্ম প্রচার করতে তারা কিছু বিষমতা প্রতিষ্ঠা করেছে।

চতুর্বর্ণ প্রথার সৃষ্টি ব্রাহ্মণেরাই করেছে।ভগবান বুদ্ধ এ চতুর্বর্ণ প্রথার ঘোরতর বিরোধ করেছেন। তিনি চতুর্বর্ণ প্রথাকে নষ্ট করে সমতার প্রচার করেছিলেন। সমতার ভিত্তিতেই তিনি বৌদ্ধধর্মের স্থাপনা করেছেন। ভগবান বুদ্ধ ব্রাহ্মণদের যজ্ঞে পশু হত্যার বিরোধ করে তা বন্ধ করিয়েছিলেন। ব্রাহ্মণেরা হিংসা প্রথা শুরু করেছিল। তা বিনাশ করে বুদ্ধ অহিংসার প্রচার করেছেন।

তথাগত বুদ্ধ বলেছিলেন যে, বৌদ্ধধর্ম হল মহাসাগরের মত। এখানে কোন প্রকারের ভেদাভেদ নাই। ব্রাহ্মণদের দ্বারা কৃত ব্যাপক হিংসার সে যুগে বুদ্ধ করুণার প্রসার করে বহুজন লোকদের মন আকর্ষিত করেছেন এবং তাদের সঠিক মার্গের দিশা দেখিয়েছিলেন। হিন্দু ধর্মের শিখরেই নিহিত রয়েছে নানা রোগ। এ কারণে আমাদের পৃথক ধর্ম গ্রহণ করতে হবে।

আমার বিচারে সর্বসাধারণ মানুষের অনুশীলনের জন্য বৌদ্ধধর্মই হল একমাত্র যোগ্য ধর্ম।এ ধর্মের মধ্যে উচ্চ-নীচ, ধনী-গরীব, জাত-পাত ইত্যাদির কোন রকম ভেদাভেদ নাই। অস্পৃশ্য বর্গের কল্যাণ বৌদ্ধধর্ম স্বীকার করার মধ্যেই রয়েছে সম্ভাবনা। হিন্দু সমাজে ব্যাপ্ত অসমানতা, ভেদাভেদ, অন্যায় এবং কুপ্রথা বৌদ্ধধর্ম স্বীকার করলেই দূর হয়ে যাবে। ভারতের অস্পৃশ্যদের দ্বারা বৌদ্ধধর্ম স্বীকার করার পর বার্মা, চীন, জাপান, লঙ্কা, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম ইত্যাদি সকল বৌদ্ধ দেশ সমূহ আমাদের করুণ স্থিতির উপর আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হবে। এবং আমরা সবসময়ের জন্য হিন্দু সমাজের অত্যাচার সমূহ হতে মুক্ত হয়ে যাব। উপরোক্ত দেশ সমূহ আমাদের উপর কৃত অত্যাচারের বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠাতে না পারার পিছনে ইহাও কারণ হল যে, তাদের মনে হয়, এগুলি হল হিন্দুদের ঘরোয়া সমস্যা বা ঝগড়া। যদি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করার পরেও হিন্দু লোকেরা আমাদেরকে সমতা, স্বতন্ত্রতা, ন্যায়, বন্ধুত্ব ইত্যাদি হতে দূরে রাখে, তখন আমরা অন্যান্য বৌদ্ধ রাষ্ট্রের সহযোগিতায় সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সম্ভব করতে পারব। তারা আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে।

হিন্দু সমাজের মাথায় অস্পৃশ্যতার কলঙ্ক লেগে রয়েছে। ইহার কারণে হিন্দু জাতির হৃদয়ের দুষ্টতা দেখতে পাওয়া যায়। অস্পৃশ্য জাতি পবিত্র ও শুদ্ধ হওয়ার পরও যদি ভগবানের দর্শন করতে যায়, তারপরেও তাঁদের জন্য মন্দিরের দরজা বন্ধ করে রাখা হয়। ছুয়াছুত, ভেদাভেদ, জাতি-পাতি ইত্যাদি শিখর হতে বিনাশ করা উচ্চ জাতির লোকদের কর্তব্য। আমরা নিজেদের কাঁধে তাদের বোঝা কেন তুলব? আজ আমি অস্পৃশ্যদের আহ্বান করে বলছি যে, আপনারা এরকম ধর্মকে স্বীকার করুন, যে ধর্মে মনুষ্য মনুষ্যের মধ্যে কোন ভেদভাব থাকবেনা। সমতা এবং মিত্রতার বন্ধনে সব এক সাথ হয়ে যাবে। এ উচ্চতম আদর্শ রয়েছে বৌদ্ধধর্মে। যে প্রকারে অনেক নদী সমুদ্রে এসে মিলিত হয়, এবং নিজেদের অস্তিত্বকে বিলীন করে ফেলে, সে প্রকারে বৌদ্ধধর্ম স্বীকার করার পরে সকল লোক সমান হয়ে যায়। তাদের মধ্যে কোন প্রকার বিষমতা অবশিষ্ট থাকেনা।

বৌদ্ধধর্মে অস্পৃশ্যতার কোন স্থান নাই। ইহা সকল মানব জাতির জন্য হল কল্যাণকারী ধর্ম। উচ্চ বর্ণের হিন্দুকে ইহা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। অন্য ধর্মে সৃষ্টির নির্মাতা হল ঈশ্বর, ইহাই সবাইকে বলা হয়ে থাকে। এবং এখানে যা কিছু সংগঠিত হচ্ছে, তার সবই ঈশ্বরকে দায়ী করা হচ্ছে। এ রকম বিচার ধারা বৌদ্ধধর্মে নাই। বৌদ্ধধর্মে বলা হয়েছে যে, এ সংসারে দু:খ রয়েছে। সে দু:খকে বিনাশ করা যায় ইহা মেনে চিন্তা করা হয়েছে যে, এ দু:খকে দূর করার জন্য কোন মার্গ রয়েছে। দু:খ দুর করার মার্গ হল অষ্টাঙ্গিক মার্গ।

হিন্দু ধর্মের বিচারধারা ব্রাহ্মণ্য শোষণ বিচারধারা ভিত্তিক। এ শোষণ চতুর্বর্ণ পদ্ধতি হতে সৃষ্ট হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মে অনেক ভিক্ষু-ভিক্ষুণী হয়েছিলেন। তাঁদের সম্পর্কে সমাচার থেরগাথা এবং থেরীগাথায় পাওয়া যায়। হিন্দুদের তো ন্যায় করার অধিকার ছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত তারা অস্পৃশ্যদের সাথে কেবল অন্যায়ই করেছে। হিন্দুদের কাছ হতে আমাদেরকে পৃথক হয়ে ভগবান বুদ্ধের চরণে বিনম্র হতে হবে। আমাকে কাঠমুণ্ডুর পশুপতিনাথ মন্দিরে প্রবেশ করতে দেয়নি, এ মিথ্যা খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হলে আমার কর্ণগোচর হয়। আমি কোন হিন্দু মন্দিরে যাইনি। আমাকে একশ’বার যাওয়ার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে, এরপরেও সে মন্দিরে যাওয়া সম্ভব ছিলনা।

আমার ব্যক্তিগত সচিবকে নেপালের মহারাজা প্রথম দিন ডেকেই সূচনা দিয়েছিলেন যে, ডক্টর আম্বেদকরকে মন্দিরে যেতে দেওয়া হবেনা। তাঁরা বলেছিলেন যে, বৌদ্ধদেরকে হিন্দু মন্দির সমূহে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার মত পরিস্থিতি বর্তমানে নাই। নেপাল, ভারত ও লঙ্কার ভিক্ষুরা মন্দিরে যাচ্ছিলেন। তাঁদের মানাই করা হয়েছে। যে ব্যক্তি ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না, তার মন্দিরে প্রবেশ হল নিজেকে ধোঁকা দেওয়ার মত হয়। হিন্দুদের ঈশ্বরকে অপমান করা হয়। বৌদ্ধগণ কখনও হিন্দু মন্দিরে যাওয়া উচিত নয়। বৌদ্ধ বিহার সমূহে সকলের জন্য সমান অধিকার রয়েছে।সেখানে কাউকেও যেতে নিষেধ করা হয়না। যে অস্পৃশ্য হিন্দু ধর্মে থেকেও মন্দিরে প্রবেশ করতে চায়, তাহল কেবল তার দূর কল্পনা। এ ইচ্ছা অন্যায়, অপমান এবং অশুদ্ধতা যদি কেহ সহ্য করতে চায়, তাহলে তা হবে তার মর্জি। কিন্তু আমি মনে করি যে, বৌদ্ধগণের এ ঝামেলায় পরা হতে বাচঁতে হবে। আমাদের প্রত্যেকদিনের প্রার্থনায় আমরা বলে থাকি-‘ নত্থি মে সরণং অঞ্ঞং, বুদ্ধো মে সরণং বরং’ আমি বুদ্ধ ব্যতীত অন্য কারো শরণে যাবনা বলে থাকলে আবার হিন্দু মন্দিরে যাওয়ার হঠকারিতা কেন করব? কাশী মন্দিরে যাওয়া ছিল রাজনৈতিক বিচার। তাতে অস্পৃশ্যতার কোন লাভ ছিল না। সে কারণে বৌদ্ধধর্মকে স্বীকার করেই সমতা, বন্ধুত্বের মান্যতা লাভ করাই হল আমাদের মুখ্য কর্তব্য।’

বোধিসত্ব বাবা সাহেব ড. আম্বেদকরের এ ভাষণ শেষ হলে বিভিন্ন দেশ হতে আসা প্রায় ১৫০ জন ভিক্ষু তাঁকে সমর্থন জানিয়ে সব রকমের সহযোগিতা দানের আশ্বাসন দিয়েছিলেন।সভা শেষে সন্ধ্যা ৫ টার সময় বাবা সাহেব সারনাথের বৌদ্ধ পুরাকীর্কির ভগ্নাবশেষ দর্শন করেন । ধামেক স্তূপের পাশে প্রায় এক ঘন্টা অবস্থান করে তিব্বতি লামাদের চলমান পূজার অবলোকন করেন। এর পর তিনি কিছু আলাপ বিনিময় করে তথ্যের জ্ঞাতকরণ করালে সবাই সন্তুষ্টতা সাথে স্বাগত জানিয়েছিলেন। অত:পর বাবা সাহেব সন্ধ্যা ৭ টার সময় সারনাথে মূলগন্ধকুটি বিহারে বিধিমত লম্বা সময় পর্যন্ত থেরবাদী ভিক্ষুদের সাথে পালি সুত্রপাঠে অংশ গ্রহণ করেন।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
২,০৩৭,৫৮৮
সুস্থ
১,৯৯২,৬৯৪
মৃত্যু
২৯,৪৪৩
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD