1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : স্থবির এম ধর্মবোধি : এম ধর্মবোধি স্থবির

প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
রাউজান থানাস্থ ডাবুয়া বেনুবন বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পান্ন টেম্পোর ধাক্কায় মোটরগাড়ীসহ মারাত্মকভাবে আহত হলেন বিশিষ্ট ভাস্কর্যশিল্পী লায়ন ইন্দ্রসেন বড়ুয়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ৯৪তম বোর্ড সভা অনুষ্টিত সম্মিলিত প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ গঠন বুদ্ধ’ বই : নট ফর সেল ক্লাবকে দেওয়া হয়েছে লিগ্যাল নোটিশ বুদ্ধ ও সারিপুত্র ভান্তের বিদায় মুহুর্ত উখিয়ার প্রথম পিএইচডি ডিগ্রিধারী নারী ড. মাধবী বড়ুয়া (পুতু) Not for Sale Club কর্তৃক প্রকাশিত বুদ্ধ বই এর প্রকাশক ও সংগঠন, সংশ্লিষ্ট জনদের দুঃখপ্রকাশ থের গাথার আলোকে উপালি জীবন চরিত সম্পর্কে আলোচনা করছি হংকং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দীপেন বড়ুয়ার পিএইচডি ডিগ্রি লাভ ও লেকচারার পদে যোগদান

২৪৩৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

  • আপডেটের সময়ঃ মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৯০ বার পঠিত

২৪৩৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

উন্নয়ন অনুদান এবং কর আদায়কে অন্যতম খাত হিসেবে টার্গেট করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য দুই হাজার ৪৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম ক্লাব হল রুমে চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের এই বাজেট ঘোষণা করেন।
সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন একটি মেগাসিটি, স্মার্ট সিটি, পরিবেশ বান্ধব শহর নগরবাসীর প্রত্যাশা।সাধ থাকলেও সামর্থ্য সীমিত।আমি আমার সীমিত সামর্থের মধ্যে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছি। কিন্তু চসিকের যতটুকু সদিচ্ছা আছে ততটুকু আর্থিক সক্ষমতা নেই। তাই আর্থিক সক্ষমতা ছাড়া নগরবাসীর শতভাগ প্রত্যাশা পূরণ করা যায় না। আর্থিক সক্ষমতা না থাকাতে পৌরকরের ওপর নির্ভর করে সব কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হয়। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হলে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এটা করতে হলে আইনি প্রক্রিয়ায় যে সুযোগ আছে সেটা গ্রহণের বিকল্প নেই। সে কারণেই আইনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এটা করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এতে চট্টগ্রামই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদি আমি সফল হতাম, তাহলে বর্তমানে যে রাজস্ব আদায় হচ্ছে তা দ্বিগুণের চেয়েও বেশি হয়ে যেত- ফলে প্রত্যাশিত উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা সহজ হতো।
তিনি আরো বলেন, আগামীকাল (বুধবার) এই পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে।দায়িত্ব পাওয়ার পর কাউন্সলিরদের সঙ্গে নিয়ে সামর্থের শতভাগ উজাড় করে নগরবাসীর সেবা করার চেষ্টা করেছি। আইনের মধ্যে থেকে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদহিতিার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি।অগোচরে কোনো ভুলত্রুটি থাকলে কোনো ব্যর্থতা থাকলে সেটার দায় আমি নিজের কাঁধেই নিলাম। সফলতার সবটুকু নগরবাসীকে দিলাম।

এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন অনুদান খাতে সবোর্চ্চ আয় দেখানো হয়েছে। এই খাতে ১ হাজার ৬২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার আয় দেখানো হয়েছে। দ্ধিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবে দেখানো হয়েছে বকেয়া কর ও অভিকর খাত। ২০২০-২১ অর্থ বছরে এই খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১৯৯ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। হালকর ও অভিকর খাতে আয় দেখানো হয়েছে ১৪৯ কোটি ২৩ লাখ ২ হাজার টাকা। তাছাড়া ফিস আদায় বাবদ ১ ২২ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা,জরিমানা আদায় বাবদ ৫০ লাখ টাকা, সম্পদ হতে অর্জিত ভাড়া ও আয় বাবদ ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ব্যাংক স্থিতি থেকে আয়বাবদ ৫ কোটি টাকা ও ভর্তুকি সহ নিজস্ব উৎস থেকে আয় বাবদ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আয়ের টার্গেট নির্ধারন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে উন্নয়ন খাতে ৯৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বকেয়া দেনা বাবদ ৭৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে চসিক। তবে চসিকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক প্রদান বাবদ ব্যয় হবে বছরে ২৯০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষন ব্যয় ৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ভাড়া কর অভিকর বাবদ ৬ কোটি ৯৫ লাখ, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও পানি ব্যয় বাবদ ৪৬ কোটি ৫০ লাখ, কল্যাণমূলক ব্যয় ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ, ডাক তার দূরালাপনী বাবদ ১ কোটি ৭১ লাখ,আতিথেয়তা ও উৎসব বাবদ ৬ কোটি ৫ লাখ,বিমা বাবদ ৫৫ লাখ, ভ্রমণ ও যাতায়াত ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৭৫ লাখ,বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা ব্যয় বাবদ ৫ কোটি ৮৫ লাখসহ মুদ্রন,মনিহারী,ফিসবৃত্তি ও পেশাগত ব্যয়,প্রশিক্ষণ, ভান্ডার ও বিবিধ খাতের ব্যয় মিলিয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুধুমাত্র বেতনভাতা,পারিশ্রমিকসহ চসিকের বার্ষিক পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষন খাতে ব্যয় হবে ৫৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের প্রায় ২২.৮৭ শতাংশ। পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষন ছাড়া বাকি ১৮৭৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা উন্নয়ন, বকেয়া দেনা, ত্রাণ ক্রয় ও অন্যান্য খাতে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৬৬,৯০৭
সুস্থ
১,৫৩০,০৮৩
মৃত্যু
২৭,৮০১
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD