1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : dharmobodi :

মোট আক্রান্ত

৪৬৯,৪২৩

সুস্থ

৩৮৫,৭৮৬

মৃত্যু

৬,৭১৩

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৪৬,৪১৩
  • চট্টগ্রাম ২৫,৩৩৪
  • বগুড়া ৮,৮৪৪
  • কুমিল্লা ৮,৫৮৮
  • সিলেট ৮,৪৫৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৯০৭
  • ফরিদপুর ৭,৭৯৩
  • খুলনা ৬,৮৮২
  • গাজীপুর ৬,৪২৩
  • কক্সবাজার ৫,৫০৭
  • নোয়াখালী ৫,৩২৫
  • বরিশাল ৪,৪৪৬
  • যশোর ৪,৪৩৪
  • ময়মনসিংহ ৪,১৩২
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,০৫৭
  • দিনাজপুর ৪,০৫৭
  • রংপুর ৩,৫৯৯
  • কুষ্টিয়া ৩,৫৯৭
  • টাঙ্গাইল ৩,৫০১
  • রাজবাড়ী ৩,২৯৩
  • কিশোরগঞ্জ ৩,২৭৬
  • গোপালগঞ্জ ২,৮৬১
  • নরসিংদী ২,৬৪৮
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৬৪৩
  • চাঁদপুর ২,৫৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৬৭
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩৯৪
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৫০
  • ঝিনাইদহ ২,১৯৪
  • ফেনী ২,১০২
  • হবিগঞ্জ ১,৮৯৪
  • শরীয়তপুর ১,৮৩০
  • মৌলভীবাজার ১,৮২৮
  • জামালপুর ১,৭৩৬
  • মানিকগঞ্জ ১,৬৪৮
  • পটুয়াখালী ১,৬০৯
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৯৩
  • মাদারীপুর ১,৫৫৭
  • নড়াইল ১,৪৮৮
  • নওগাঁ ১,৪৩৪
  • পাবনা ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩৮২
  • গাইবান্ধা ১,৩৩১
  • নীলফামারী ১,২২৭
  • জয়পুরহাট ১,২১১
  • পিরোজপুর ১,১৩৯
  • নাটোর ১,১৩৩
  • সাতক্ষীরা ১,১২৮
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • রাঙ্গামাটি ১,০৩৭
  • বাগেরহাট ১,০২৩
  • মাগুরা ১,০১৩
  • বরগুনা ১,০০৩
  • কুড়িগ্রাম ৯৬৫
  • লালমনিরহাট ৯২৯
  • ভোলা ৯০০
  • বান্দরবান ৮৫৭
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০৭
  • নেত্রকোণা ৭৯০
  • ঝালকাঠি ৭৮৯
  • খাগড়াছড়ি ৭৪০
  • পঞ্চগড় ৭৩৯
  • মেহেরপুর ৭১৬
  • শেরপুর ৫২৪
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |
তৈরি করেছেন - মুন্না বড়ুয়া
প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
বরণ্য পুণ্যপুরুষ ভদন্ত বুদ্ধপিয় মহাথেরো’র সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত সংঘরাজ ভিক্ষু মহামন্ডল এলাকায় সকাল বেলায় কঠিন চীবর দান শেষ করার নির্দেশ প্রয়াত করুণা জ্যোতি ভিক্ষুর অনিত্য সভা ও অন্তেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের সময়সূচী WBA এর চট্টগ্রাম শাখার কার্যনিবার্হী কমিটি গঠন করা হয় আইডিয়াল ডক্টর অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া না ফেরার দেশে নাট্যজন  আলী জাকের  আজ চট্টগ্রামের সঙ্গীতাচার্য ওস্তাদ জগদানন্দ বড়ুয়া’র জন্মবার্ষিকী ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা আর নেই শ্রদ্ধেয় উপঃসংঘরাজ ভদন্ত অগ্রবংশ মহাথের পরপারগত হয়েছেন বৌদ্ধ ধর্মে জন্মান্তরবাদ বা পুনর্জন্মবাদ ভদন্ত জ্ঞানবোধি ভিক্ষুর পি এইচ ডি ডিগ্রি অর্জন – জ্ঞান অন্বেষণ নিউজ বোধিসত্ত্বগণের (যে জন্মে বুদ্ধত্ব লাভ করেন) অন্তিম জন্মলাভের ধর্মতাঃ- জ্ঞান অন্বেষণ নিউজ

কান্তা বড়ুয়াকে হত্যা করা হয়েছিল – জ্ঞান অন্বেষণ নিউজ

  • আপডেটের সময়ঃ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৮৩ বার পঠিত

কান্তা বড়ুয়াকে হত্যা করা হয়েছিল ২০১৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। খুনীরা সকাল থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সকালে ঘটনার সূত্রপাত করার জন্য কান্তা বড়ুয়ার স্বামী টিপু দাশ ধুপী এবং শাশুড়ী রিনা দাশ ধুপী কান্তাকে দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য বরাবরের মতো গালিগালাজ শুরু করেন। উঠানে দাড়িঁয়ে প্রকাশ্যে হুমকি ধমকি দিচ্ছিলেন। সকাল আনুমানিক আটটার দিকে রিনা দাশ ধুপী তার মেয়ে পক্ষীরাণী দাশ ধুপীকে ফোন করেন। ফোন পেয়ে আনুমানিক নয়টার দিকে পক্ষীরাণী ধুপী এবং তার বাবা সোহাগ দাশ ধুপী একটি অটোরিক্সাযোগে দ্রুত বাড়িতে চলে আসেন। ছেলে, মেয়ে, মা, বাবা মিলে তারা চার জন হলেন। তারপর ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন।

সবাই মিলে কান্তাকে এলোপাথারি আঘাত করতে থাকেন। একপর্যায়ে কান্তা মারা যায়। তারা কান্তা অজ্ঞান হয়ে পড়েছে মনে করে ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখেন। আধা ঘন্টা পরও কান্তার জ্ঞান না ফেরায় এবং নড়াচড়া না করায় সবার অজান্তে স্থানীয় অটোরিক্সা চালক (মামলার সাক্ষী) আবু তাহেরকে হাসপাতালে রোগী নেয়ার কথা বলে ডেকে আনেন। দ্রুত তার রিক্সায় তুলে কান্তাকে প্রথমে চকরিয়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার কান্তার হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন। কান্তাকে রিক্সায় রোগীর মতো করে বসিয়ে তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

দুপুর আনুমানিক বারটার দিকে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় ফকিরা বাজারের পল্লী চিকিৎসক স্বপন কান্তি দাশ (মামলার সাক্ষী) এর ফার্মেসীর সামনে অটোরিক্সা দাঁড় করিয়ে রেখে সেখানেই পরীক্ষা করে দেখতে বলেন। সেই পল্লী চিকিৎসকও কান্তাকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন। মেয়েটির মৃত্যু কিভাবে হলো তিনি তা জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর না দিয়ে সেখান থেকে দ্রুত সটকে পড়েন। তারা মৃত কান্তাকে নিয়ে সোজা বাড়ি চলে গেলেন।

এবার নাটক শুরু হলো। কান্তার মৃতদেহ মাটিতে শোইয়ে রেখে তারা শোরগোল তুললেন। প্রতিবেশীরা আসতে লাগলেন। কান্তার শশুর বাড়ির লোকজন বললেন স্বামীর সাথে অভিমান করে কান্তা গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ঘরের ভিমের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। কান্তার শারীরিক উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। যেই ভিমটা দেখাছিলেন মাটি থেকে সেটার উচ্চতা ছিল ৪ ফুটের চেয়ে কিছুটা বেশি। গলায় যে শাড়ি পেঁচানোর কথা বলেছিলেন সেটাও নেই। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হলে তারা চকরিয়া থানাকে খবর দেন। এরিমধ্যে তারা সবাই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

কান্তার মৃত্যুর সুরতহাল প্রতিবেদন মতে, কান, নাক, স্বাভাবিক ছিল। চোখ দুটি বন্ধ ছিল। মুখ সামান্য খোলা। মুখমন্ডলের নিচে জাইমের ডানপাশে, ডান হাতের বাহু ও কব্জির উপর লালচে দাগ এবং গলায় অর্ধচন্দ্র আকৃতির লালচে দাগ, পা দুটি হাটু বরাবর বাঁকানো অবস্থায় দেখা যায় মর্মে উল্লেখ আছে। ভিসেরা প্রতিবেদনে কোন বিষ পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ আছে। লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কান্তার শরীরের বেশ কয়েকটি স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে উল্লেখ আছে। তাছাড়া পাকস্থলী ও মূত্রাশয় সমূহ শূন্য বলেও উল্লেখ আছে।

উপরোক্ত কথা গুলো মামলার তদন্ত কর্মকর্তার। ২০১৮ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কান্তাকে হত্যা করা হয়। কান্তার বাবা সুকুমার বড়ুয়া এই ঘটনার জন্য বিচার চেয়ে কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত এই মামলার তদন্তভার পিবিআইকে প্রদান করেন। পিবিআই ২০১৮ সালের ৬ মার্চ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। দীর্ঘ এক বছর পর পিবিআই ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। পিবিআই কান্তা বড়ুয়াকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে বলে কান্তার স্বামী টিপু দাশ, শাশুড়ী রিনা দাশ, শশুর সোহাগ দাশ এবং ননদী পক্ষীরাণী দাশ ধুপীকে অভিযুক্ত করে সবিস্তারে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

কান্তা চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলো। সোনার দোকানে কাজ করত টিপু দাশ। দুইজনের বাড়ি একই গ্রামে পাশাপাশি ছিলো। ভালবেসে পরিবারের অমতে কান্তা টিপুকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের কিছুদিন পরপরই কান্তার উপর নির্যাতন শুরু হয়। কান্তার একটা ভুলের মাশুল তাকে জীবন দিয়ে দিতে হলো।

যৌতুকের দাবী মেটাতে পারত না বলে প্রায় সময় মেয়েটাকে না খাইয়ে রাখত। ঘটনার দিনও কোনো খাবার পেটে পড়েনি।

নির্মম এই হত্যাকান্ডের ঘটনার দুই বছর পার হয়ে গেল। অপরাধীরা আজও থেকে গেল অধরা। কান্তার রিক্সাচালক হতদরিদ্র পিতা আজও মেয়ের হত্যার বিচারের আশায় অপেক্ষা করছেন।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
GO AD

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৬৯,৪২৩
সুস্থ
৩৮৫,৭৮৬
মৃত্যু
৬,৭১৩
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,১৯৮
সুস্থ
২,৫৬২
মৃত্যু
৩৮
স্পন্সর: একতা হোস্ট
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD