1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : dharmobodi :

শিরোনামঃ
ত্রিপিটক বিশারদ,  ভদন্ত দীপানন্দ  স্থবিরের  মহাস্থবির বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় মহামারী করোনা ভাইরাস সর্তক হোন ভদন্ত শাসনপ্রিয় মহাস্থবির ও জে ধর্মবোধি স্থবির মহোদয়ের পিতা’র পরলোক গমন কুমিল্লায় ভিক্ষু পরিবাসব্রত ওয়াইক ও ব্যূহ চক্র মেলা পন্ডিত বিমলজ্যোতি মহাস্থবির মহোদয় পরলোকগমন করেছেন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই:ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ৯০ হাজার প্রাণির জীবন বাঁচিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান এই পরিবার ৮ বছর বয়সী জুরনি চাকমার জীবন বাঁচাতে আবেদন জাতক কাহিনী: গৌতম বুদ্ধের পূর্বজন্মের কাহিনী নিয়ে রচিত এক অসাধারণ সাহিত্যকর্ম বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ প্রবিত্র ত্রিপিটক পরিচিতি

বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ প্রবিত্র ত্রিপিটক পরিচিতি

  • আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৪০ বার পঠিত

          পবিত্র ত্রিপিটকের পরিচিতি

ত্রিপিটক বৌদ্ধ ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ ।তথাগত সম্যক সম্বুদ্ধের মুখনিঃসৃত বাণী ত্রিপিটকে সংকলিত।ত্রিপিটক শাস্ত্রের এক একটি অক্ষর বুদ্ধ সদৃশ।সে কারণে পন্ডিত ব্যক্তির পক্ষে ত্রিপিটকের বাণী প্রচার করা উচিত।
ত্রিপিটকের “ত্রি” মানে তিন এবং “পিটক” মানে পাত্র বা ঝুড়ি বা থলে। তিনটি ঝুড়ি হলো:-
(১)বিনয় পিটক: বৌদ্ধ সংঘের বিবিধ কর্মে এবং ভিক্ষু বা ভিক্ষুণীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নিয়মাবলী সম্পর্কিত রচনা সংগ্রহ।
(২)সূত্র পিটক: বুদ্ধের ধর্মদেশনা, ধর্মতত্ত্ব ব্যাখ্যামূলক গদ্য-পদ্যে রচিত সূত্র সংগ্রহ।
(৩)অভিধর্ম পিটক: উচ্চতর ধর্মের তত্ত্ব বা ধর্মের উচ্চতর সূক্ষ্ম তত্ত্বালোচনা বিষয়ক রচনা সংগ্রহ।

পালি ত্রিপিটক গ্রন্হগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা:- (১)বিনয় পিটক (২)সূত্র পিটক (৩)অভিধর্ম পিটক।
তন্মধ্যে বিনয় পিটক ২১ হাজার,সূত্র পিটক ২১ হাজার এবং অভিধর্ম ৪২ হাজার। সর্বমোট ৮৪ হাজার ধর্মবাণীর মধ্যে ৮২ হাজার বুদ্ধভাষিত এবং অবশিষ্ট ২ হাজার শ্রাবকভাষিত।বুদ্ধের উপদেশগুলো সাধারণত ধর্মস্কন্ধ নামে অভিহিত।

(১)বিনয় পিটক:- বিনয় পিটক ৫ খন্ডে বিভক্ত। সেইগুলো হল:-
(১)পারাজিকা (২)পাচিত্তিয় (৩)মহাবর্গ (৪)চুলবর্গ (৫)পরিবার পাঠ।

(২)সূত্র পিটক:- সূত্র পিটক ও ৫ খন্ডে বিভক্ত। যথা:-
(১)দীর্ঘ নিকায় (২)মধ্যেম নিকায় (৩)সংযুক্ত নিকায় (৪)অঙ্গুত্তর নিকায় (৫)খুদ্দক নিকায়।

কিন্তু দীর্ঘ নিকায়ের খন্ডগুলো আবার বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যেমন
১।দীর্ঘ নিকায় :-
এটি হলো সূত্র পিটকের প্রথম গ্রন্হ।আকারে দীর্ঘ সূত্রগুলো এই গ্রন্থে উপাস্হান করা হয়েছে।এই গ্রন্থে মোট ৩৪ টি সূত্র আছে যা তিনটি বর্গে বিভক্ত। যথা:-(ক)সীলক্খন্ধ বগ্গ(সূত্র সংখ্যা ১৩টি)
(খ)মহাবগ্গ(সূত্র সংখ্যা ১০টি)
ও (গ)পাটিকবগ্গ(সূত্র সংখ্যা ১১টি)

২।মজ্ঝিম নিকায়:-
মজ্ঝিম বা মধ্যেম নিকায় সূত্রপিটকে দ্বিতীয় গ্রন্থ। সূত্রপিটকের মধ্যম আকারের সূত্রগুলো এই গ্রন্থে সন্নিবেশ করা হয়েছে।মধ্যমনিকায়ে সূম্র সংখ্যা ১৫২টি।এগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে।
প্রথম ৫০টি সূত্রকে মূলপঞ্ঞাস বা মূল পঞ্চাশ, দ্বিতীয় ৫০টি সূত্রকে মজ্ঝিম পঞ্ঞাস বা মূল পঞ্চাশ,এবং শেষের ৫২টি সূত্রকে উপরিপঞ্ঞাস বা পঞ্চাশের ওপরে এভাবে ভাগ করা হয়েছে।

৩।সংযুক্ত নিকায়:-
এইটি সূত্র পিটকের তৃতীয় গ্রন্থ। এই গ্রন্থে ৫৬টি সংযুক্ত আছে যা ৫টি বর্গে বিভক্ত করা হয়েছে।সগাথাবগ্গ(যাতে ১১টি সংযুক্ত আছে),,নিদানবগ্গ (যাতে ১০টি সংযুক্ত আছে),,খন্ধবগ্গ(যাতে ১৩টি সংযুক্ত আছে)সলায়তনবগ্গ(যাতে ১০টি সংযুক্ত আছে),,ও মহাবগ্গ(যাতে ১২টি সংযুক্ত আছে)

৪।অঙ্গুত্তর নিকায়:-
অঙ্গুত্তর নিকায় সূত্রপিটকের অন্তর্গত চতুর্থ নিকায় গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি ১১টি ভাগে বিভক্ত।এক একটি ভাগকে নিপাত বলা হয়। তাই তাকে একোত্তর নিকায়ও বলা হয়।

৫।খুদ্দক নিকায়:-
নিকায় গ্রন্থের শেষ বা পঞ্চম গ্রন্থ।অন্য নিকায় গ্রন্থগুলো সূত্রের সংগ্রহশালার ন্যায় হলেও খুদ্দক নিকায় সেরুপ নয়। এখানে ছোট বড়ো অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রন্থের সমন্বয় সাধন করা হয়েছে।
খুদ্দকনিকায়ে অন্তর্গত ১৫টি গ্রন্থ। যথা:-
(১)খুদ্দক পাঠ(২)ধর্মপদ(৩)উদান(৪)ইতিবুত্তক(৫)সুত্তনিপাত
(৬)বিমানবত্তু (৭)প্রেতবত্তু (৮)থেরগাথা (৯)থেরীগাথা
(১০)জাতক (১১) নির্দেশ (১২)প্রতিসম্ভিদামার্গ (১৩)অপদান (১৪)বুদ্ধবংশ ও (১৫)চরিয়াপিটক।

৩।অভিধর্ম পিটক: অভিধর্ম পিটক ৭ খন্ডে বিভক্ত।যথা:
(১)ধর্ম সঙ্গনী (২)বিভঙ্গ (৩)ধাতুকথা (৪)পুদগল-প্রজ্ঞপ্তি
(৫)কথাবত্থু (৬)যমক ও (৭)পট্ঠান।

তথাগত বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ পূর্ব মুহুর্তে আয়ুস্মান আনন্দকে সম্বোধন করে বললেন,হে আনন্দ,তোমাদের হয়তো এইরুপ মনে উৎপন্ন হতে পারে যে,শাস্তার উপদেশ অতীত গিয়েছে,আমাদের শাস্তা এখন আর নেই।হে আনন্দ,তোমরা কখনো এমনটি ভাববে না।
হে আনন্দ,আমি যে ধর্ম ও বিনয় দেশনা করেছি, প্রজ্ঞাপ্ত করেছি, আমার মৃত্যুর পর তা-ই তোমাদের শাসবতা বা শিক্ষক। তোমারা যদি সেই ধর্ম ও বিনয় মেনে প্রতিপালন করে ধর্মানুধর্ম অনুশীলন কর তাহলে দুঃখ হতে মুক্তি হতে পারবে।।

বিদ্র:-ত্রিপিটক শাস্ত্রের এক একটি অক্ষর বুদ্ধ সদৃশ। সে কারণে পন্ডিত ব্যক্তির পক্ষে ত্রিপিটকের বাণী প্রচার করা উচিত।

অনুগ্রহ করে এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০১৯
Developed By: Future Tech BD