1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : dharmobodi :

শিরোনামঃ
ত্রিপিটক বিশারদ,  ভদন্ত দীপানন্দ  স্থবিরের  মহাস্থবির বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় মহামারী করোনা ভাইরাস সর্তক হোন ভদন্ত শাসনপ্রিয় মহাস্থবির ও জে ধর্মবোধি স্থবির মহোদয়ের পিতা’র পরলোক গমন কুমিল্লায় ভিক্ষু পরিবাসব্রত ওয়াইক ও ব্যূহ চক্র মেলা পন্ডিত বিমলজ্যোতি মহাস্থবির মহোদয় পরলোকগমন করেছেন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই:ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ৯০ হাজার প্রাণির জীবন বাঁচিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান এই পরিবার ৮ বছর বয়সী জুরনি চাকমার জীবন বাঁচাতে আবেদন জাতক কাহিনী: গৌতম বুদ্ধের পূর্বজন্মের কাহিনী নিয়ে রচিত এক অসাধারণ সাহিত্যকর্ম বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ প্রবিত্র ত্রিপিটক পরিচিতি

১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা দেশে আনতে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি মুসা বিন শমসের

  • আপডেটের সময়ঃ বুধবার, ৮ মে, ২০১৯
  • ১৯২ বার পঠিত

বহুল আলোচিত মুসা বিন শমসের ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা (২০ বিলিয়ন ইউরো) দেশে আনার অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন। শ্রীলংকার কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন’র সুইজারল্যান্ড শাখায় এই টাকা সংরক্ষিত আছে।

এ অর্থ তার আন্তর্জাতিক বাজারে অস্ত্র ব্যবসার মুনাফার অংশ। তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক অংশীদার আদনান খাসোগির কাছ থেকে তিনি এ অর্থ পেয়েছেন। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া তিনি বাংলাদেশে এই টাকা স্থানান্তরের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

সম্প্রতি বিষয়টি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে একটি চিঠি দিয়েছেন মুসা বিন শমসের। ওই চিঠিতে তিনি বলেছেন, এ টাকা দেশে আনা হলে শুধু আমি ও আমার পরিবার উপকৃত হবে না, দেশও সুবিধাভোগী হবে। এজন্য টাকা দেশে আনার ব্যাপারে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তার ব্যবসায়িক পার্টনার আদনান খাসোগি এই অর্থ মুসা বিন শমসেরকে দেয়ার জন্য মৃত্যুর আগে একটি নির্দেশনা দিয়ে গেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে। এতে তিনি বলেছেন, এই অর্থ স্থানান্তরের ব্যাপারে আমি (আদনান খাসোগি) সুইস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি সন্তোষজনক সমাধান দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

প্রসঙ্গত, মুসা বিন শমসেরের এই অর্থ চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চেয়েও বেশি। বাংলাদেশের চলতি এডিপির আকার এক লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা।

জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, মুসা বিন শমসেরের টাকা দেশে আনার প্রস্তাবটি পাওয়া গেছে। কিন্তু বিষয়টি এখনও বিবেচনায় নেয়া হয়নি। কারণ এটি দেশীয় মুদ্রায় অনেক টাকা।

দেশে হঠাৎ করে এই টাকা প্রবেশ করলে মূল্যস্ফীতিতে সয়লাব হয়ে যাবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আরও উপর থেকে হওয়া উচিত। এ প্রস্তাবটি মুসা বিন শমসের প্রধানমন্ত্রীর কাছে দিতে পারেন বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রীকে দেয়া চিঠিতে মুসা বিন শমসের লিখেছেন, ‘ইতিপূর্বে সুইস ব্যাংক আমার ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশি টাকায় ১ লাখ ২ হাজার কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে। এটি আপনি (অর্থমন্ত্রী) ও বিশ্ববাসী জানেন। আমি ফের সে পথে যেতে চাচ্ছি না।

অনুগ্রহ করে এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০১৯
Developed By: Future Tech BD