1. arkobd1@gmail.com : arkobd :
  2. dharmobodi88@gmail.com : dharmobodi :

মোট আক্রান্ত

২৪৩,৯৬৭

সুস্থ

১৩৯,৮৬২

মৃত্যু

৩,২৩৪

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৫২,২২৪
  • চট্টগ্রাম ১৪,৪৮৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৫,৮৮০
  • কুমিল্লা ৫,৫৭৬
  • বগুড়া ৪,৮৭৬
  • ফরিদপুর ৪,৮৬২
  • খুলনা ৪,৩৬৭
  • গাজীপুর ৪,২৩৬
  • সিলেট ৩,৭৮৭
  • কক্সবাজার ৩,৩৯১
  • নোয়াখালী ৩,১৮৬
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,০২১
  • ময়মনসিংহ ২,৭২৩
  • কিশোরগঞ্জ ১,৯৯৫
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১,৯৪৭
  • নরসিংদী ১,৯২৬
  • যশোর ১,৮৯৯
  • চাঁদপুর ১,৮৫৩
  • টাঙ্গাইল ১,৬৯০
  • বরিশাল ১,৬৮৬
  • কুষ্টিয়া ১,৫৯৪
  • রংপুর ১,৫৩৯
  • লক্ষ্মীপুর ১,৪৫৩
  • সিরাজগঞ্জ ১,৪৪০
  • দিনাজপুর ১,৩০৮
  • ফেনী ১,৩০৮
  • সুনামগঞ্জ ১,২৭৮
  • রাজবাড়ী ১,২৭৭
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • হবিগঞ্জ ১,০৫৫
  • পটুয়াখালী ১,০২৫
  • ঝিনাইদহ ৯৮৩
  • নওগাঁ ৯৩১
  • জামালপুর ৯১৬
  • পাবনা ৮৪৩
  • মানিকগঞ্জ ৮৪০
  • মৌলভীবাজার ৮৩৯
  • মাদারীপুর ৮৩২
  • গোপালগঞ্জ ৭৯৯
  • নড়াইল ৭৬২
  • সাতক্ষীরা ৭৪৮
  • জয়পুরহাট ৭১৪
  • শরীয়তপুর ৬৬৮
  • রাঙ্গামাটি ৬৫৭
  • চুয়াডাঙ্গা ৬৪৩
  • নেত্রকোণা ৬৩৮
  • বাগেরহাট ৬০৮
  • নীলফামারী ৬০০
  • গাইবান্ধা ৫৭৮
  • বান্দরবান ৫৫৪
  • খাগড়াছড়ি ৫৩২
  • ভোলা ৫২৮
  • বরগুনা ৫১১
  • নাটোর ৪৯২
  • মাগুরা ৪৬০
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৪৪৮
  • কুড়িগ্রাম ৩৭৭
  • শেরপুর ৩১৫
  • ঠাকুরগাঁও ৩০১
  • লালমনিরহাট ২৯৪
  • ঝালকাঠি ২৪২
  • পঞ্চগড় ২৩৩
  • পিরোজপুর ২১৮
  • মেহেরপুর ১৮৭
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |
তৈরি করেছেন - মুন্না বড়ুয়া
প্রয়োজনীয়ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট,সফটওয়্যার কিংবা মোবাইল এপ তৈরি করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ ০১৯০৭৯৮৬৩৬৯ আমরা যেসব সার্ভিস দিয়ে থাকিঃ বিজনেস ওয়েবসাইট,ই-কমার্স ওয়েবসাইট,সোশ্যাল ওয়েবসাইট,অনলাইন নিউজপেপার,বেটিং ওয়েবসাইট,কেনা বেচার ওয়েবসাইট,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ইত্যাদি। আমরা আরো যেসব সেবা দিয়ে থাকিঃ সুপারশপ সফটওয়্যার,ফার্মেসি সফটওয়্যার,ক্লথিং/বুটিক ষ্টোর সফটওয়্যার,একাউন্টিং সফটওয়্যার,HRM ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার,স্কুল/কলেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার সহ সকল ধরনের মোবাইল এপ তৈরি করে থাকি আপনার বাজেটের মধ্যেই। তো দেরি না করে আজই যোগাযোগ করুন এবং অর্ডার করুন আপনার চাহিদা মত সেবা। ফিউচার টেক বিডি
শিরোনামঃ
২৪৩৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পঞ্চশীল প্রতিপালনে অর্জিত ফলের অনুবাদ মহামান্য সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাস্থবির’র জাতীয় অন্ত্যেস্টিক্রিয়া কমিটি ঘোষণা মহামান্য সংঘরাজ ড. ধর্মসেন মহাথেরো মহোদয়ের পেটিকাবদ্ধ অনুষ্ঠান ভারতে সফল ল্যান্ডিং পাঁচ রাফেল যুদ্ধবিমানের, স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানালো ভারত বাংলাদেশের অর্থায়নে নেপালের লুম্বিনীতে একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করা হবে। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মূরত প্রতীক, ভদন্ত বোধিপাল মহাথের মৃত্যু বরণ করেছেন শ্রদ্ধেয় কর্মবীর জিনানন্দ মহাথের(এম.এ মৃত্যু বরণ করেছেন গোল্ডেন দাতা সদস্য হলেন প্রয়াত প্রেমতোষ বড়ুয়ার পরিবারবর্গ রাঙ্গমাটিতে বৌদ্ধ ভিক্ষুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

টিআইবির খানা জরিপ ঘুষ ছাড়া সেবা মেলে না।

  • আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮
  • ৪০৫ বার পঠিত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হলেও ঘুষ খাওয়ার প্রবণতা ও দুর্নীতির হার কমেনি, বরং বেড়েছে। দেশে শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত খাত এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা বা বাহিনী।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত খাত যথাক্রমে পাসপোর্ট ও বিআরটিএ অফিস। ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার বেশির ভাগ মানুষই নিরক্ষর ও নিম্ন শ্রেণির। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) খানা জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সেবা খাতে দুর্নীতি : জাতীয় খানা জরিপ ২০১৭’ শীর্ষক জরিপে আরো বলা হয়েছে, দেশে তিন কোটি ৭৩ লাখ খানার মধ্যে ৬৬.৫ শতাংশই দুর্নীতির শিকার। সংখ্যার হিসাবে দুর্নীতির শিকার খানা প্রায় আড়াই কোটি। ঘুষ দেওয়ার কারণ হিসেবে ৮৯ শতাংশ খানার সদস্যরা বলেছে, ঘুষ না দিলে সেবা পাওয়া যায় না। জরিপের তথ্য মতে, খানাপ্রতি গড় ঘুষ দেওয়া হয়েছে পাঁচ হাজার ৯৩০ টাকা। জাতীয়ভাবে প্রাক্কলিত ঘুষের পরিমাণ ১০ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। জাতীয়ভাবে ঘুষের পরিমাণ ২০১৬-১৭ অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ০.৫ শতাংশ এবং ওই বছরের জাতীয় বাজেটের (সংশোধিত) ৩.৪ শতাংশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপটি প্রকাশ করা হয়েছে। জরিপের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন টিআইবির প্রগ্রাম ম্যানেজার ফারহানা রহমান ও মোহাম্মদ নুরে আলম। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল ও নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

জরিপের তথ্য মতে, ২০১৫ সালের খানা জরিপের সঙ্গে তুলনা করলে ২০১৭ সালের খানা জরিপে দুর্নীতির শিকার খানার হার কিছুটা কমেছে। ২০১৫ সালে দুর্নীতির শিকার খানার হার ছিল ৬৭.৮ শতাংশ। ২০১৭ সালের খানা জরিপে তা ৬৬.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে দুর্নীতির শিকার খানার হার কমলেও গড় ঘুষ

আদায়ের হার বেড়েছে। ২০১৫ সালে ঘুষ আদায়ের পরিমাণ ছিল চার হাজার ৫৩৮ টাকা। এখন সেটি বেড়ে পাঁচ হাজার ৯৩০ টাকা হয়েছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতির শিকার খানার সংখ্যা কমলেও এর ব্যাপকতা রয়ে গেছে। সার্বিক পরিসংখ্যান দেখলে এটাকে কমা বলাটা ঠিক হবে না। গত দুই বছরে ঘুষ আদায়ের হারও বেড়েছে।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭২.৫ শতাংশ খানার অভিযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গিয়ে তাদের দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে। ৬৭ শতাংশ খানা অভিযোগ করেছে, পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে। আর ৬৫ শতাংশ খানার অভিযোগ, বিআরটিএ অফিসে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে। টিআইবি বলছে, সর্বাধিক পরিমাণ ঘুষ আদায়ের তিনটি খাত হলো গ্যাস, বিচারিক সেবা ও বীমা খাত। গ্যাসে গড় ঘুষ আদায় হয়েছে ৩৩ হাজার ৮০৫ টাকা। বিচারিক সেবায় ১৬ হাজার ৩১৪ টাকা এবং বীমা খাতে ১৪ হাজার ৮৬৫ টাকা।

টিআইবির প্রগ্রাম ম্যানেজার ফারহানা রহমান জানান, আটটি বিভাগের ১৬টি স্তরে দৈবচয়নের ভিত্তিতে এক হাজার ৩২০টি গ্রাম বা মহল্লা নির্বাচন করে সেখান থেকে ১৫ হাজার ৫৮১টি খানা নির্বাচন করা হয়েছে জরিপ পরিচালনার জন্য। এসবের মধ্যে গ্রামাঞ্চল থেকে ১০ হাজার ১৫৫টি খানা এবং শহরাঞ্চল থেকে পাঁচ হাজার ৪২৬টি খানা নির্বাচন করা হয়। জরিপের তথ্য নেওয়া হয়েছে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। সেবা নেওয়ার বিবেচ্য সময় ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল অনেকটা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দুর্নীতি ও ঘুষ আমাদের জাতীয় জীবনে সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। দুর্নীতির কাছে আমরা আত্মসমর্পণ করেছি। জাতিগতভাবে এমন মানসিকতা পোষণ করা অসম্মানের, অমর্যাদার। একটি দেশ আমরা স্বাধীন করেছি ঘুষ ও দুর্নীতির জন্য!’ তিনি বলেন, ‘ঘুষ ও দুর্নীতি বন্ধে জরুরি সরকারের সদিচ্ছা। কিন্তু সেটি দেখা যাচ্ছে না। আমরা জবাবদিহিতা দেখতে পারছি না। ’ সুলতানা কামাল আরো বলেন, বিচারব্যবস্থায়ও রন্ধে রন্ধে অনিয়ম ঢুকে পড়েছে। বিচারব্যবস্থাকে এখন আর কেউ পাত্তা দেয় না। কাউকে জামিন দেওয়া হলে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো হয়। এই কাজটা মন্ত্রীরা করছেন। আমাদের বিচারব্যবস্থা কোথায় চলে গেছে?’

টিআইবি বলছে, তরুণ সেবাগ্রহণকারীদের ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার হওয়ার সংখ্যা কম। এই হার মাত্র ৩২ শতাংশ। একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তার মতে, তরুণরা যেকোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। সে কারণে তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিতে সাহস পায় না। সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির শিকার হন ৫৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষ, যার হার ৪৬ শতাংশ। এরপর আছে ৬৫ থেকে তার বেশি বয়সী মানুষ, হার  ৪৪ শতাংশ।

জরিপের তথ্য মতে, ৭০ শতাংশ নিরক্ষর মানুষ ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। এসব নিরক্ষর ব্যক্তিরা খানার প্রধান। আর স্নাতকোত্তর ৫৯ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঘুষের শিকার হয়েছে কৃষিকাজে জড়িত লোকজন, এ হার ৬৩ শতাংশ। পেশার দিক থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ ঘুষের শিকার জেলে ও পরিবহন শ্রমিক। জরিপ চালাতে গিয়ে টিআইবি দেখতে পেয়েছে, দরিদ্র ও নিম্ন শ্রেণির মানুষই বেশি ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার। যাদের মাসিক আয় ১৬ হাজার টাকা, তাদের বার্ষিক আয়ের ২.৪১ শতাংশ গেছে ঘুষের বোঝা টানতে। আর যাঁদের বেতন ৬৪ হাজার টাকার বেশি, তাঁদের বার্ষিক ঘুষের বোঝা টানতে হয় ০.১২ শতাংশ।

টিআইবি জানায়, সেবা খাতের ঘুষ, দুর্নীতি নিয়ে ১৯৯৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে জরিপ পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে যারা সেবা গ্রহণ করেছে, তাদের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে জরিপটি চালানো হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি, কৃষি, আইন-শৃঙ্খলাসহ ১৬টি খাত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এতে। টিআইবি বলেছে, দুই বছরে ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার খানা যে কিছুটা কমেছে তার কারণ, স্থানীয় সরকার খাতে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সনদ ও ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া। এ ছাড়া সিওর ক্যাশ ও বিকাশের মাধ্যমে উপবৃত্তি, পাসপোর্ট সেবায় অনলাইনে ফি জমাদান এসব কারণে দুর্নীতির শিকার খানার হার কিছুটা কমেছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার নিম্ন শ্রেণির মানুষ। এটি খুবই দুঃখজনক। সরকারি খাতে বেতন-ভাতা বাড়ানো হলেও তার কোনো প্রভাব ঘুষ ও দুর্নীতিতে পড়েনি। বরং দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এতেই প্রমাণিত, বেতন বাড়লেও যারা ঘুষ খাওয়ার তারা খাবেই। ’

সংবাদ সম্মেলনে ১২টি সুপারিশ তুলে ধরেছে টিআইবি। সুপারিশগুলো হলো বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সেবা খাতে দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভাগীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সেবাদানের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কার ও তিরস্কারের বা শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে গণশুনানির মতো জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও তার কার্যকর প্রয়োগ। একই সঙ্গে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় ধাপ ও অন্যান্য বাধা দূর করতে হবে।

এই খবরটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর
জ্ঞানঅন্বেষণ কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত © ২০২০
Developed By: Future Tech BD